দৈনিক সমাচার, ডিজিটাল ডেস্ক : হাথরসের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই লখনউ থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে বলরামপুরে লালসার শিকার ২২ বছরের এক দলিত যুবতী। নির্যাতনের পর তিনি যখন বাড়ি ফেরেন তখন তাঁর দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন। ঠিক মতো দাঁড়ানোরও ক্ষমতা ছিল না তাঁর। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর।
ওই দলিত যুবতী একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। নির্যাতিতার মা জানিয়েছেন, সকালে কাজে যাবে বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। তার পর থেকে মোবাইলেও পাওয়া যায়নি। সন্ধ্যায় হয়ে গেলেও মেয়ে বাড়ি ফিরছে না দেখে পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। এর পর রিক্সা করে মেয়েকে বাড়ি ফিরতে দেখেন তাঁরা। তখন সে না পারছে হাঁটতে, না পারছে ঠিক মতো কথা বলতে।
এর পর তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে লখনউ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন সেখানকার চিকিৎসা। লখনউ নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর। কাজে যাওয়ার পথেই দলিত যুবতীকে অপহরণ করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর মা। তাঁর মা বলেছেন, ‘‘আমার মেয়ে কাঁদছিল আর বলছিল, ‘আমাকে বাঁচাও, আমি মরতে চাই না’।’’
এই ঘটনার জেরে দু’জন যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছে মেয়েটির পরিবার। বলরামপুরের পুলিশ সুপার রঞ্জন বর্মা বলেছেন, ‘‘ধর্ষণের পর নির্যাতিতাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়েছিল অভিযুক্তরা। কিন্তু পরিস্থিতি খারাপ হলে তাঁরা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে রিক্সায় চাপিয়ে নির্যাতিতাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।’’ ওই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
























