দৈনিক সমাচার, ডিজিটাল ডেস্ক : বাবরি মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রায় ৩১ আগস্টের মধ্যেই দিতে হবে। লখনউয়ের বিশেষ সিবিআই আদালতকে চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিমকোর্ট। এই মামলায় অভিযুক্তরা হলেন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এল কে আদবানি, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুরলী মনোহর যোশী ও উমা ভারতী। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করতে গঠিত লিবারহান কমিশনেও বিজেপির উপরোক্ত নেতারা অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন।
লখনউয়ের বিশেষ সিবিআই আদালতে ১৯৯২ সালের বাবরি ধ্বংসের মামলা চলছে। আগামী ৯ মাসের মধ্যে মামলার রায়দান শেষ করতে হবে। গতবছর জুলাইয়ে নিম্ন আদালতকে এমনই সময় সীমা দিয়েছিল সুপ্রিমকোর্ট। গত এপ্রিলের শেষে সেই সময়সীমা শেষ হয়েছে। তার আগেই সময়সীমা বাড়ানোর জন্য সুপ্রিমকোর্টে আবেদন করেন ট্রায়াল কোর্টের বিচারক। করোনা ভাইরাসের মহামারির কারণে দেশজুড়ে লকডাউনের জেরে বিচারপর্ব শেষ করতে আরও সময় লাগবে বলে আবেদনে উল্লেখ করেন তিনি।
সেই চিঠির প্রেক্ষিতে আরও ৪ মাস মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানাল সুপ্রিমকোর্ট। তবে গোটা প্রক্রিয়া শেষ করতে যাতে আগস্ট পেরিয়ে না যায়, তা নিশ্চিত করতে বলেছে সুপ্রিমকোর্ট। সিবিআই কোর্টকে পাঠানো নির্দেশে শীর্ষ আদালতের সুপারিশ, প্রয়োজনে ভিডিও কনফারেন্সিং করে শুনানি করুন। কিন্তু আগস্ট ৩১-এর আগেই যাতে রায় ঘোষণা সম্পন্ন হয়। ১৯ এপ্রিল, ২০১৭ সালে সুপ্রিমকোর্ট এই মামলায় আরও দু’জনকে চার্জশিটে অভিযুক্ত হিসেবে তুলে ধরেছিল। তাঁদের মধ্যে অন্যতম বিজেপি সাংসদ বিনয় কাটিয়ার আর সাধ্বী রীতম্বরা। যদিও, এই মামলার অপর তিন অভিযুক্ত গিরিরাজ কিশোর, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অশোক সিংহল আর বিষ্ণু ডালমিয়া বিচারাধীন অবস্থায় প্রয়াত হয়েছেন।
এদিকে, ২০১৭ সালে শীর্ষ আদালত এই মামলার নিষ্পত্তি করতে দু’বছর সময় বেঁধে দিয়েছিল। ২০১৯-এর জুলাই মাসে শেষ হয়েছে সেই মেয়াদ। ফের ৯ মাস বাড়ানো হয়েছিল মেয়াদ। যা শেষ হয়েছে চলতি বছর এপ্রিলে। এবার আরও চার মাস বাড়ানো হল মামলা নিষ্পত্তির মেয়াদ। উল্লেখ্য, এল কে আদবানি, মুরলী মনোহর যোশী, উমা ভারতী প্রমুখ বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে করসেবকদের উৎসাহ প্রদান করেছিলেন।
Support Free & Independent Journalism




















