Wednesday, March 4, 2026
Latest Newsফিচার নিউজরাজ্য

পাখির চোখ ২০২৪-র লোকসভা, পিকের থিওরি মেনে ‘রুটিন’ তৈরি করে দিলেন মমতা

দৈনিক সমাচার, ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলায় বিজেপিকে হারানোর পর এবার পাখির চোখ ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন। তার আগে ভিনরাজ্যে সংগঠন গড়ে তুলতে হবে। সেইসঙ্গে নিজের রাজ্যেও আরও বেশি করে সাংগঠনিক হতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। জাতীয় স্তরে প্রাসঙ্গিক হতেই ভিত মজবুত করতে ছক সাজাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে জেতার পর সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝিয়ে দিয়েছেন আত্মতুষ্টিতে ভুগলে চলবে না। আরও বড় লক্ষ্যে নামতে হবে আমাদের। তাই ছুটি মেজাজে থাকলে চলবে না। ছুটিহীন হয়ে আগামীর লক্ষ্যে এগোতে হবে। মানুষের জন্য কাজ করতে হবে, দলের কথাও ভাবতে হবে।

সেজন্য তিনি জনসংযোগের পাশাপাশি পার্টি অফিসে যাওয়া অভ্যাসে পরিণত করার বার্তা দিয়েছেন। পার্টির সিনিয়র নেতাদের জন্য ডেইলি রোস্টার তৈরি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কে কবে কখন পার্টি অফিসে থাকবে, তার সম্পূর্ণ রুটিন তৈরি হচ্ছে। কাউকে সপ্তাহে প্রতিদিন থাকতে হবে, কাউকে নির্দিষ্ট দিনে পার্টি অফিসে থাকেত হবে।

 

তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, শুধু সিনিয়র নেতা-নেত্রী বা মন্ত্রী-বিধায়ক-সাংসদদেরই নয়, বিশেষ করে মহিলা নেতৃত্বকে পার্টি অফিসে আসা অভ্যাস করতে হবে। এই নিয়ম লাগু করা হচ্ছে শীঘ্রই। যুব ও ছাত্র নেতৃত্বকেও নিয়মিত পার্টি অফিসে বসতে হবে। পার্টি অফিসের কাজ ভাগ করে করতে হবে।

পার্টির সমস্ত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেজড়িত থাকতে হবে সকল স্তরের নেতা-নেত্রীকে। সুখেন্দুসেখর রায় এই মর্মে বলেন, পার্টি অফিস একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। তাই পার্টি অফিসে যাওয়ার অভ্যাস থাকাটা জরুরি। একজন সক্রিয় নেতা বা মন্ত্রী নিয়মিত পার্টি অফিসে গেলে দলের জন্য তা ভালো হয়। তৃণমূলের সাংগঠনিক মিটিং ও কর্মকাণ্ডে উপস্থিত থাকলে দল আরও সুগঠিত হবে।

তৃণমূল এক নেতা এক পদ থিওরি মেনে চলবে। মন্ত্রীদের দলের কোনও দায়িত্ব সামলাতে হবে না। সাংগঠনিক কাঠামো আগের থেকে মজবুত হবে তাতে। ২০১৯-এ দলের কৌশলী প্রশান্ত কিশোরও এই পরামর্শ দিয়েছিলেন নেতা-নেত্রীদের। তিনি বলেছিলেন স্থানীয় নেতা-নেত্রীরা পার্টি অফিসে গিয়ে দলের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ওতপ্রোত জড়িয়ে থাকুন।

Leave a Reply

error: Content is protected !!