দৈনিক সমাচার, ডিজিটাল ডেস্ক: অতীতে গ্রেটার কোচবিহার, কামতাপুর, গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে আন্দোলনকে ঘিরে বার বার অশান্ত হয়েছে উত্তরবঙ্গ। বাম আমলে আদিবাসী বিকাশ পরিষদেরও আন্দোলনকে ঘিরেও উত্তপ্ত হয়েছে ডুয়ার্সের মাটি। মাঝে কয়েকবছর সেই ধরণের আন্দোলন অনেকটাই স্তিমিত হয়ে গিয়েছিল। অতীতে যাঁরা এই ধরণের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতেন তাঁদের অনেকেই এখন তাৎপর্যপূর্ণভাবে তৃণমূলের ছাতার তলায়। তবে এসবের মধ্যেই এবার একেবারে উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্য করার দাবিতে সরব হয়েছেন কয়েকজন। সেই তালিকায় নাম রয়েছে আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বারলাও। এমনটাই দাবি করা হচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে। তবে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বও জন বারলার মতামতের সঙ্গে একমত হতে চাননি। কার্যত তারপরই এনিয়ে বিশেষ কোনও মন্তব্য করতে চাইছেন না বিজেপি সাংসদ জন বারলা। কিন্তু সাংসদ প্রসঙ্গ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও আলিপুরদুয়ারের জেলা বিজেপি নেতৃত্ব অবশ্য জন বারলার মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করছেন।
এমনকী দলের অন্দরমহল সূত্রে খবর, জন বারলার মন্তব্যের জেরে উত্তরবঙ্গের একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়েছেন। তাঁদের সাফ কথা, এর দায় কখনই বিজেপি নেবে না। উত্তরবঙ্গের এক জেলা বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এবারও উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভালো ফল করেছে বিজেপি। কিন্তু উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্য করার দাবি তোলা হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে অনেকেই এই দাবির সঙ্গে একমত হতে পারবেন না। এর জেরে দল আরও ভেঙে যেতে পারে।
আলিপুরদুয়ারের বিজেপির জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বলেন, ‘রাজ্য নেতৃত্ব যা বলেছেন তার সঙ্গে আমরা একমত। আমরা রাজ্যভাগকে সমর্থন করিনা। এমপির কথা পার্টির কথা নয়। তিনি তাঁর মতো কথা বলেছেন। দার্জিলিংয়ের সাংসদও বলেন গোর্খাল্যান্ড চাই। আমরা রাজ্যভাগের সঙ্গে একমত নই। গণতান্ত্রিক দেশে যে কেউ যা খুশি বলতেই পারেন। আমরা চাইছি এই আলোচনা বন্ধ হোক। তবে তৃণমূল এখন নানা কিছু করতে চাইছে। ওরা যা খুশি করুক। আমাদের অবস্থান খুব স্পষ্ট।’


























