দৈনিক সমাচার, ডিজিটাল ডেস্ক : উত্তরপ্রদেশে অখিলেশ যাদবের মুখ্যমন্ত্রিত্বের শেষ পর্বে ২০১৬-র এপ্রিল থেকে ২০১৭-র জানুয়ারি পর্যন্ত ধর্ষণের ২৯৪৩টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছিল। যোগী জমানায় প্রথম ১০ মাসেই (২০১৭-র এপ্রিল থেকে ২০১৮-র জানুয়ারি) তা ২৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৩৭০৪টি।
তিন বছর আগেই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় দাঁড়িয়ে সত্যি কথাটা কবুল করে ফেলেছিলেন রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী সুরেশকুমার খন্না, ‘‘যোগী আদিত্যনাথের মুখ্যমন্ত্রিত্বের প্রথম দু’মাসে রাজ্যে ৮০৩টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে!’’ সেটা ২০১৭ সালের জুলাই। যোগী সরকারের বয়স তখন মাত্রই চার মাস।
‘ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো’ (এনসিআরবি)-র তথ্য বলছে, পরবর্তী বছরগুলিতে দেশের বৃহত্তম রাজ্যে (জনসংখ্যার নিরিখে) ধর্ষণ-সহ যৌন হেনস্থার ঘটনার হার বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে। সাধারণ দুষ্কৃতীদের পাশাপাশি অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন শাসকদলের নেতা, বিধায়করা।
গত অগস্টে প্রকাশিত এনসিআরবি রিপোর্ট জানাচ্ছে, ২০১৯ সালে উত্তরপ্রদেশে মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের সংখ্যা ৫৯৮৫৩। যা দেশের মধ্যে সর্বাধিক। এর মধ্যে ধর্ষণের মামলার সংখ্যা ৩০৬৫টি। অর্থাৎ গড়ে দৈনিক প্রায় ১১ জন মহিলা ধর্ষিতা হন ওই রাজ্যে। রিপোর্ট বলছে, এঁদের মধ্যে ৩৪ জনকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে।
এনসিআরবি-র রিপোর্ট আরও জানাচ্ছে, ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে উত্তরপ্রদেশে মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের মোট সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৫৬০১১ এবং ৫৯৪৪৫। ২০১৭-র মার্চ মাসে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন যোগী আদিত্যনাথ। সে বছর রাজ্যে ৪৬৬৯টি ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়েছিল। ২০১৮ সালে ধর্ষণের সংখ্যা সামান্য কমে দাঁড়ায় ৪৩২২। এর মধ্যেও ৪১টি ক্ষেত্রে ধর্ষিতাকে খুন করা হয়েছিল।
























