নিজস্ব সংবাদদাতা,দৈনিক সমাচার, ভাঙড় : গিয়েছিলেন ‘দিদি কে বলো’-র প্রচারে , শুনে ফিরলেন শুধুই ভিটে মাটি হারা হওয়ার ভয়ের আর্ত চিৎকার শুনে। এমনই অবস্থা ভাঙড়ের নিমকুড়িয়া গ্রামে। সেখানকার মানুষ ত্রস্ত এনআরসি এবং নাগরিকত্ব আইন বা সিএএ নিয়ে। মানুষের ভয়ের ‘আর্তনাদ’ শুনলেন ভাঙড়ের জেলা পরিষদ সদস্য তথা তৃণমূল নেতা নান্নু হোসেন।
ওই এলাকার মানুষের প্রশ্ন শুধু একটাই, ‘আমাদের কি হবে? তবে কি পরিবার পরিজন নিয়ে ভিটেমাটি ছাড়া হতে হবে!’ বিভিন্ন ধরণের শঙ্কা আশঙ্কা নিয়ে দিন কাটাচ্ছে ভাঙড়ের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ। সরকারি সুযোগ সুবিধা না পাওয়া ও কাটমানির অভিযোগ উধাও হয়ে এখন শুধুই এনআরসি ও সিএএ সম্পর্কিত প্রশ্নের মুখোমুখি হলেন তৃণমূল নেতা নান্নু হোসেন।

এনআরসি ও সিএএ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিনিধিকে শুনতে হল অভিযোগ এবং ভিটে মাটি ছাড়া হওয়ার ভয়ের কথা। পাশাপাশি সদ্য সংশোধিত এই আইন নিয়ে আতঙ্ক থেকে রক্ষা করার জন্য দিদিকে উদ্যোগ নেওয়ার আর্জিও জানিয়েছেন তাঁরা।
দিদিকে বলো কর্মসূচিতে শানপুকুর অঞ্চলের নিমকুড়িয়াতে বুধবার পৌঁছোতেই বাসিন্দারা এনআরসি ও সিএএ ব্যাপারটি আসলে কি? সেই সম্পর্কে জানতে বেশি আগ্রহী ছিলেন।
এই বিষয়ে এলাকার জেলাপরিষদ সদস্য তথা তৃণমূল নেতা নান্নু হোসেন জানিয়েছেন , সিএএ নিয়ে সাধারণ মানুষ যে ভীষনই আতঙ্কে তা দিদিকে বলো কর্মসূচিতে স্পষ্ট। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উপরেই ভরসা রাখার আহ্বান করেন নান্নু হোসেন।
আমাদের সব খবর পড়ুন এইবার মোবাইল অ্যাপে। ডাউনলোড করুন বাংলার সেরা নিউজ অ্যাপ
সব খবর পড়তে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন – এখানে ক্লিক করুন



















