দৈনিক সমাচার, ডিজিটাল ডেস্ক: জালিয়াতিতে সিদ্ধহস্ত বহুদিন ধরেই। ভ্যাকসিন কাণ্ডে ধৃত ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেবের আরও একটি কীর্তি জানতে পারল পুলিশ। জাল নথি জমা দিয়ে সে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্ক থেকে ২০ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছিল। একইসঙ্গে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, ২০২০ সাল থেকে তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে ২ কোটি টাকারও বেশি লেনদেন হয়েছিল। ধৃতের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি পরীক্ষা করে এই বিষয়টি জানতে পেরেছে তারা।
একদিকে যেমন দেবাঞ্জনের কাণ্ডকারখানা জানতে তাকে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে, পাশাপাশি তার অধীনে চাকরি করা এবং প্রাক্তন চাকুরেদেরও জেরা করছে পুলিশ। সোমবার ১২ জনের মতো এই কর্মীদের জেরা করা হয়েছে। কর্মীরাও সরব হয়েছেন দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে। কয়েকজন অভিযোগ করেছেন টাকার বিনিময়ে তাঁদের চাকরি দিয়েছিল দেবাঞ্জন। যদিও বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে।
ইতিমধ্যেই পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে দেড় কোটি টাকার স্যানিটাইজার, মাস্ক ও অন্যান্য জিনিস একজনের থেকে কিনলেও বিক্রেতাকে এর দাম বাবদ সে কোনও টাকা দেয়নি। হেয়ার স্ট্রিট থানায় দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়ার পর দেবাঞ্জনের ডেরায় তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ প্রচুর জাল সরকারি নথিপত্র উদ্ধার করে। নানা সময় এই নথিগুলো সে ব্যবহার করে লোকজনকে প্রতারণা করে আসছিল। সেইসঙ্গে উদ্ধার হয়েছে জাল করোনা ভ্যাকসিন।



























