দৈনিক সমাচার, ডিজিটাল ডেস্ক: কড়া শাস্তির হুঁশিয়ারি তেমনভাবে না থাকায় গণপিটুনি বা লিঞ্চিং অব্যাহত রয়েছে উত্তরপ্রদেশে। আবার প্রকাশ্যে এসেছে নতুন এক লিঞ্চিংয়ের ঘটনা। যেখানে এক মুসলিম প্রৌঢ়কে পিটিয়ে মারা হয়েছে। ওই রাজ্যের সুলতানপুর জেলার ঘটনা। বুধবার সুলতানপুর সিভিল লাইন্স এলাকায় এই ঘটনা ঘটে, পরের দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার একটি দৃশ্য ভাইরাল হওয়ার পরেই তা প্রকাশ পায়। ওই মুসলিম প্রৌঢ়কে গাছের সঙ্গে বেঁধে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।
নিহতের নাম খুরশিদ আহমদ (৫৫), সুলতানপুর কোতোয়ালি এলাকার ঘরখারদুড় গ্রামের বাসিন্দা। নিহতের ভাই জহির আহমদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বৃহস্পতিবার একটি এফআইআর নথিভুক্ত করেছে।
হিন্দি পত্রিকা ওমর উজালা জানিয়েছে, যে খুরশিদকে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই অঞ্চলের জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি মারা যান।
পুলিশ সুপার বিপিন মিশ্র জানান, খুরশিদকে মারধর করে হিমাংশু পান্ডে নামে একজন। খুরশিদের ছোট ভাই আনোয়ার জানিয়েছেন , শুক্রবার তিনি এফআইআর করার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, তবে পুলিশ পরিদর্শক তাকে তার অভিযোগ “শুধুমাত্র হিমাংশু পান্ডে”-র নামে করতে বলেছেন। আনোয়ারের বলেন, এক ব্যক্তি নয়, বেশ কয়েক জন তার ভাইয়ের হত্যায় জড়িত আছেন।
সূত্রের খবর, ইউপি-র সুলতানপুরে ২২ জুন হিমাংশু পান্ডে ও শিবম সহ আরও ৬ জন মুসলিম বৃদ্ধ খুরশিদ আহমদ উরফ পাপ্পু (৫৫)কে নির্মমভাবে পিটিয়ে মেরেছে। তারা প্রথমে এমজিএস এলাকায় তাকে মারধর করে এবং তারপর খুরশিদকে পিডব্লিউডি অফিস এলাকার ভিতরে নিয়ে যায়। মারধরের পরে তারা তাকে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। খুরশিদের অপরাধ কী, পুলিশ তা জানাতে পারেনি।


























