দৈনিক সমাচার, ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লি সীমান্ত জুড়ে তাঁদের আন্দোলন রীতিমতো ঝড় তুলেছিল ভারত জুড়ে। মোদী সরকারের তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিকে রাকেশ টিকাইতের মতো কৃষক আন্দোলনের নেতারা এখনও অনড় অবস্থানে রয়েছেন। সরকারের সঙ্গে বহু আলোচনার পরও এখনও মেলেনি কৃষি আইন নিয়ে কোনও বড় সুরাহা। এদিকে, এমন এক পরিস্থিতিতে একুশের ভোটের আগে বাংলার বুকে আসছেন কৃষক নেতারা। কোন জল্পনা চড়তে শুরু করল।
কৃষক আন্দোলের জের যে রাজনৈতিক প্রতিটি স্তরে পড়তে পারে,তা পাঞ্জাবের পুরভোটের আগে তেকেই আঁচ করা গিয়েছিল। আর ভোটের ফলাফলে এদিন দেখা গিয়েছে পাঞ্জাবে কার্যত কংগ্রেস বিজেপিকে দুরমুশ করে ছেড়েছে। মনে করা হচ্ছে, কৃষক আন্দোলন পাঞ্জাবের পুরভোটে একটি বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে।
হরিয়ানার রোহতকে চলছে কৃষকদের বিশাল জমায়েত। সেখান থেকেই দেশের তাবড় কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইত জানিয়েছেন, কৃষক আন্দোলনের নেতারা বাংলায় গিয়ে বাংলার কৃষকদের জাগ্রত করবেন। ব্রিটিশ যুগে কৃষক নেতা স্য়ার ছোটু রাম যেভাবে কৃষকদের সংঘবদ্ধ করেছিলেন সেই পথ ধরেই এবার কৃষক আন্দোলনের রাস্তা আরও পাকা হবে বলে তিনি ডাক দেন।
প্রসঙ্গত, রাকেশ টিকাইত বলছেন, কোনও রাজনৈতিক রঙ ছাড়াই বাংলার বুকে কৃষক আন্দোলনের নেতারা পা রাখবেন। সেখানে কৃষকদের দুঃখ কষ্ট বুঝতেই এমনন পদক্ষেপ। এদিকে , এর আগে, দিল্লিতে কৃষক আন্দোলনের গতি যখন তীব্র , তখন তাঁদের কাছে তৃণমূল দূত হিসাবে ডেরেক ও ব্রায়ানদের পাঠিয়েছিল। সেখান থেকে ফোনে কৃষক নেতারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথাও বলেন। এরপরও বহুবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কৃষকদের দাবির পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেছেন। তবে রাকেশ টিকাইতের এক বক্তব্যে , মমতার সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কের গতিপ্রকৃতি নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।
এদিকে, বাংলার কৃষকদের পরিস্থিতি নিয়ে যখন ইতিমধ্যেই বিজেপি সরব হতে শুরু করেছে, দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে বারবার আসছে, বাংলার কৃষকদের অবস্থা নিয়ে অভিযোগের কথা। এরই মাঝে টিকাইত বলছেন, ‘দেশের বাকি অংশের মতো বাংলার চাষিরা শস্যের সঠিক মূল্য পাচ্ছেন না। ‘ এমনই খবর ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’ সূত্রে। আর এই জায়গা থেকেই বাংলার বুকে কৃষক নেতাদের প্রবেশ ঘিরে জল্পনা চড়ছে।

























