দৈনিক সমাচার, ডিজিটাল ডেস্ক: গতকাল রাতে কলকাতা যাওয়ার জন্য নিমতিতা স্টেশনে যাচ্ছিলেন রাজ্যের শ্রম প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। স্টেশনে গাড়ি থেকে নামার পরেই তাঁর উপর বোমা হামলা করা হয়। বোমার সপ্লিন্টারে জখম হন তিনি। তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে মহেশাইল গ্রামীণ হাসপাতালে আনা হলে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সূত্রের খবর, বোমায় মন্ত্রীর পা গুরুতরভাবে জখম হয়েছে। জাকির হোসেনের বেশ কয়েকজন অনুগামীও জখম হয়েছেন। তাঁদেরকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বোমার আঘাতে জখম জাকির হোসেনকে দেখতে এসএসকেএমে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়৷ সেখানে জাকির হোসেনের সঙ্গে দেখা করেন৷ কথা বলেন শ্রম প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে৷ পরে সাংবাদিকদের সামনে ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী৷ ঘটনাটিকে বীভৎস বলে বর্ণনা করেন তিনি৷
হাসপাতালে দাঁড়িয়ে মমতা বলেন, ‘প্রায় ২৬ জনের মতো জখম৷ দেখে মনে হচ্ছে, পরিকল্পনা করে করা হয়েছে৷ রেল স্টেশনের মধ্যে কীভাবে এটা হল আমরা জানি না৷ তবে আমরা চাই সত্যি কথা সবার সামনে আসুক৷ জাকিরের অবস্থাও খারাপ৷ জাকির ছাড়া যারা অল্প জখম হয়েছেন তাঁদের ১ লক্ষ টাকা ও যারা গুরুতর জখম হয়েছে তাঁদের ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে৷’
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, পুরো ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব সিআইডি, এসটিএফ ও সিআইএফকে দেওয়া হয়েছে৷ রেল স্টেশনে কিছু হলে তার পুরো দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকাররে৷ এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়িত্ব নিতে হবে৷ জাকির খুব জনপ্রিয় নেতা৷ এটি তাঁকে হত্যা করার একটা বড় পরিকল্পনা৷ তৃণমূলের নেতাদের টার্গেট করা হচ্ছে৷ মমতা আরও দাবি করেন, আকারে ইঙ্গিতে নাকি জাকিরকে কেউ বা কারা তাদের দলে টানতে চাইছিল। তবে জাকির যাননি, এর জেরেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
গতকাল নিমতিতা স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় জাকির হোসেনের উপর বোমাবাজি হয়৷ বোমার স্প্লিন্টারে জখম হন রাজ্যের শ্রম প্রতিমন্ত্রী৷ সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে মহিষাদল গ্রামীণ হাসপাতালে ভরতি করা হয়৷ সেখান থেকে তাঁকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়৷ অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখান থেকে তাঁকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়৷

























