আগরতলা, ২৭ আগস্ট: ত্রিপুরায় ফের আক্রান্ত তৃণমূল। অভিযোগ, আগরতলায় দলের নেত্রী সোলাঙ্কি সেনগুপ্তকে মারধর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার। পুলিশের সামনেই তাঁদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনায় তৃণমূল অভিযোগ করেছে বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপির বিরুদ্ধে। সোলাঙ্কির উপর হামলার ঘটনার খবর পেয়েই কলকাতা থেকে আগরতলার বিমান ধরেছেন সাংসদ শান্তনু সেন এবং অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।
শনিবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। কলেজে কলেজে তার প্রচার চালাচ্ছে ত্রিপুরার তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। শুক্রবার তৃণমূলের ছাত্র শাখা তেমনই প্রচার চালাচ্ছিল আগরতলার মহারাজা বীর বিক্রম কলেজে। সেখানেই এবিভিপি-র সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশের সামনে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেত্রী সোলাঙ্কি সেনগুপ্তকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেছেন স্থানীয় ছাত্র নেতারা।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেত্রী সোলাঙ্কি বর্তমানে নিরাপদে রয়েছেন বলে ত্রিপুরা পুলিশ সূত্রে দাবি। যদিও ত্রিপুরায় তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শক্তিপ্রতাপ সিংহের অভিযোগ, পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি। উল্টে পুলিশের সামনেই এবিভিপি সদস্যরা তাঁদের উপর চড়াও হয়। শক্তিপ্রতাপের আরও দাবি, এবিভিপির মারে আহত হয়েছেন পারমিতা সেন, বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, হিমাদ্রিশেখর বণিক সহ আরও অনেকে।
যদিও বিজেপি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে জয়া, দেবাংশুদের ঘটনার পর ফের তেতে উঠল ত্রিপুরা। এদিন সন্ধেবেলাই আগরতলা পৌঁছচ্ছেন কুণাল এবং শান্তনু। আগামীকাল কী পরিস্থিতি হয় এখন সেটাই দেখার।























