দৈনিক সমাচার, ডিজিটাল ডেস্ক : গুজরাতের আহমেদাবাদের সিভিল হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগীদের হিন্দু-মুসলমান ওয়ার্ডে ভাগ করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রী নীতীন পটেল বলেছেন, এমন কোনও নির্দেশিকা হয়েছে বলে তিনি জানেন না।
হাসপাতালের সুপার গুণবন্ত রাঠোর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নিজেই একথা স্বীকার করেছেন। সুপার বলেন, ‘আমরা সাধারণত পুরুষ এবং মহিলা রোগীদের আলাদা ওয়ার্ডে রাখি৷ কিন্তু এক্ষেত্রে আমরা হিন্দু এবং মুসলিম রোগীদের আলাদা ওয়ার্ডে রাখার ব্যবস্থা করেছি৷’
কেন এমন সিদ্ধান্ত? হাসপাতাল সুপারের জবাব, ‛এ ব্যাপারে কিছু প্রশ্ন থাকলে সরকারকে করুন৷ আমরা শুধু নির্দেশিকা পালন করছি।’ এখনও পর্যন্ত ওই হাসপাতালে ভর্তি ১৮৬ জন রোগীর মধ্যে ১৫০ জনের করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে৷ আক্রান্তদের মধ্যে চল্লিশজন মুসলিম রয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷
উপমুখ্যমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী নীতিন প্যাটেল জানিয়েছেন, ধর্মের ভিত্তিতে রোগীদের আলাদা ওয়ার্ডের রাখার অভিযোগের তদন্ত করে দেখা হবে৷ পাশাপাশি আমদাবাদের কালেক্টর কে কে নিরালাও জানিয়েছেন, এরকম কোনও নির্দেশ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়নি৷
অতি দ্রুততার সঙ্গে আপনার কাছে খবর পৌঁছে দেওয়ার সময়েও আমরা খবরের সত্যাসত্য সম্পর্কে সচেতন। সেই জন্যই যে কোনও ‘খবর’ পাওয়ার পর, তার সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে তবেই আমরা তা প্রকাশ করি। ফেক নিউজ বা ভুয়ো খবরের রমরমার সময়ে এটা আরও বেশি জরুরি হয়ে উঠেছে।
আমাদের খবরাখবর ভালো লাগলে আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করে পাশে থাকুন



















