দৈনিক সমাচার, ডিজিটাল ডেস্ক: গত সোমবারই রানাঘাটের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন কোনও নার্সিংহোম স্বাস্থ্যসাথীর কার্ডে চিকিৎসা না দিলে তার লাইসেন্স বাতিল করা হবে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারিই সার, স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড ফেরানোর অভিযোগ উঠল বাঘাযতীনের একটি নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে।
রোগীর পরিবারের দাবি, পেটের সমস্যা নিয়ে ১২ তারিখ রোগীকে ভর্তি করা হয়। রেড প্লাস সোসাইটি নার্সিংহোমে। পরিবারের অভিযোগ, তাঁদের জানানো হয়, রোগীর অস্ত্রোপচার হলে তবে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড ব্যবহার করা যাবে। না হলে নয়।
পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ওষুধ ও অন্যান্য খরচ বাবদ এখনও পর্যন্ত ২২ হাজার টাকা জমা দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সরকার থেকে স্বাস্থ্যসাথী বাবদ মাত্র ৭৫০ টাকা দেওয়া হয়। রোগী ভর্তি করার পর স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দেখালে আমরা টাকা ফেরত দিয়ে দিচ্ছি।
নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের দাবি, রাজ্য সরকারের বেঁধে দেওয়া রেটে চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে রোগীকে ভর্তি নেওয়া ভুল হয়েছে বলে দাবি করে টাকা ফেরত দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন নার্সিংহোমের কর্ণধার।
এমন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যে, সব বেসরকারি হাসপাতালে নিখরচায় এই পরিষেবা মিলবে তো? সম্প্রতি স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে বৈঠকে বেসরকারি হাসপাতালগুলি দাবি করেছিল, সবাইকে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধে দিতে হলে রেট বাড়াতে হবে। ৩০ দিনের মধ্যে বকেয়া মেটাতে হবে বলেও দাবি করে তারা।
এই প্রেক্ষাপটে সোমবার মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত কড়াভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও হাসপাতাল স্বাস্থ্যসাথী কার্ড রোগী ফেরালে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বলেন, গরীব মানুষকে বদমায়েশি করে হেনস্তা করার চেষ্টা করবেন না। যদি হেনস্তা করে, থানায় গিয়ে এফআইআর করবেন।
























