Sunday, July 5, 2026
গল্পফিচার নিউজশিল্প-সাহিত্য

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০১)

মুহসীন মোসাদ্দেক

 

ঝিকিঝিকি ট্রেনে গ্রামে আসা…

রাতের আঁধার ফুঁড়ে ট্রেন চলছে। লাবু জানালা দিয়ে মাথা বের করে উদাস ভঙ্গিতে বাইরে তাকিয়ে আছে। দূরে খানিক দূরত্বে দূরত্বে বেশকিছু বসতি, সারি সারি গাছপালা। রাতের আঁধারে গাছগুলোর রঙ সবুজ দেখায় না, কালো দেখায়—যেন জমাটবাঁধা আঁধারের স্তূপ। বসতিগুলোতে আলো জ্বলছে, সে আলো বিন্দু বিন্দু তারার মতো ফুটে আছে। লাবু এইসব দৃশ্য দেখছে ট্রেনের মৃদু দোলায় দুলতে দুলতে। লাবুর মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে আম্মু। মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে লাবুর দৃষ্টি অনুসরণ করে আম্মুও জানালার বাইরের নিস্তব্ধ রাতের প্রকৃতি উপভোগ করছে।

আম্মুকে সঙ্গে করে লাবু গ্রামে যাচ্ছে। গ্রীষ্মের ছুটি চলছে লাবুদের স্কুলে। আব্বু অফিসের কাজের কারণে লাবুদের সঙ্গে আসতে পারলো না, আসবে তিনদিন পর। লাবু গ্রামে বেড়াতে আসতে খুব পছন্দ করে। আব্বুর সঙ্গে আসতে হলে আরো তিনটা দিন অপেক্ষার প্রহর গোনার যন্ত্রণা সইতে হতো, তারপর দুইটা দিন থেকেই চলে যেতে হতো! দুইদিনের বেশি থাকতে পারবে না আব্বু, অফিসে কাজের অনেক ঝামেলা, ছুটি পাওয়া যাবে না। আবার ফেরার সময় আব্বুর সঙ্গেই ফিরতে হবে। লাবু তাই আব্বুকে বাদ দিয়ে কিছুটা জেদ করে আম্মুকে সঙ্গে নিয়েই রওনা দিয়েছে। তাতে অন্তত পাঁচটা দিন গ্রামে থাকতে পারবে লাবু।

রাত সাড়ে এগারোটার দিকে ট্রেন ছেড়েছে। এখন বারোটা পেরিয়ে গেছে। গ্রামে পৌঁছাতে পৌঁছাতে ভোর হয়ে যাবে। সাত ঘণ্টার মতো লাগে যেতে। গ্রামে লাবুর দাদার বাড়ি। অবশ্য দাদার বাড়ি বলাটা ভুলই হবে। বলতে হবে চাচার বাড়ি। লাবুর একটামাত্র চাচা। চাচা ওর আব্বুর বড়। চাচাকে লাবু বড় আব্বু বলে ডাকে, চাচিকে বড় আম্মু। লাবুর দাদা-দাদি কেউ নেই। আর কোনো চাচা-ফুফুও নেই লাবুর। গ্রামের বাড়িটায় তাই কেবল বড় আব্বুরাই থাকে। বড় আব্বুর দুই ছেলে। জুয়েল ভাই আর রুবেল। জুয়েল ভাই কলেজে পড়ে। খুব ভালো ছাত্র। কিন্তু একটু হাবাগোবা টাইপের। নিজে পড়ার পাশাপাশি টিউশনি করে। বাসা থেকে কলেজ অনেক দূরে, কলেজ শেষ করে টিউশনি সেরে বাসায় ফিরতে তাই রাত হয়ে যায়। বেরিয়েও যায় খুব সকালে। রুবেল আর লাবু একই ক্লাসে পড়ে—ক্লাস সেভেনে।

ট্রেন ছাড়ার পর থেকে আম্মু এবং লাবু দুজনই নীরব। লাবুর মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে আম্মু এ নীরবতা ভাঙলো, ‘কিরে, সেই তখন থেকে বাইরে একভাবে তাকিয়ে আছিস, কিছু বলছিস না যে?’
‘বাইরে দূরের ওই দৃশ্যগুলো দেখতে খুব ভালো লাগছে। রাতের আঁধারে কেমন যেন সব! চুপচাপ দেখতেই ভালো লাগছে আম্মু।’ লাবু বাইরে থেকে মুখ ফেরালো না।

‘হুম, আসলেই ভালো লাগার মতো।’ একটু থামলো আম্মু। তারপর লাবুর মাথায় হাত বোলাতে বোলাতেই বললো, ‘শোন, এবার গিয়ে কিন্তু খুব বেশি দুষ্টুমি করবি না। তোর নামে এবার যেন কোনো নালিশ না আসে। তোর আব্বু থাকবে না। আমি তোর নালিশের ঝামেলা সামলাতে পারবো না!’

এবার মুখ ফেরালো লাবু, ‘আমি কি একটু মজাও করতে পারবো না!’
‘তোর মজা মানেই তো দুষ্টুমি! একটু করতে পারবি, কিন্তু বেশি করতে পারবি না। একটু করলে তেমন কিছু বলবো না। বেশি করলে বকবো, আর খুব বেশি করলে পিটবো।’
‘ঠিক আছে, একটুই করবো।’
‘আর মজা যা করার নিজেদের মধ্যেই করবি। বাইরের কারো সাথে লাগতে যাবি না।’
‘আচ্ছা।’ লাবু আবার জানালা দিয়ে মাথা বের করে বাইরের দৃশ্য দেখতে লাগলো। লাবুর এখন অন্য কিছুতে মনোযোগ দেয়ায় বিশেষ আগ্রহ নেই! সুবোধ বালকের মতো আপাতত তাই আম্মুর কথা মেনে নেয়। বাকিটা গ্রামে যাওয়ার পর দেখা যাবে!

গ্রামে লাবুর একটা দল আছে। রুবেল আর তার চার বন্ধু—সুরুজ, মিন্টু, টিপু ও ইলিয়াসকে নিয়ে তার দল। ছয়জন সারাক্ষণ একসঙ্গে থাকে আর সারাদিন দুষ্টুমি করে বেড়ায়। সবাই সমবয়সি। লাবু যে কয়দিন গ্রামে থাকে প্রায় প্রতিদিনই ওদের নামে বাড়িতে নালিশ আসে। এর ক্ষেত নষ্ট করেছে, ওর গাছের ফল চুরি করেছে, কার বাড়ির টিনের চালে ঢিল ফেলেছে—এরকম একের পর এক নালিশ আসে ওদের নামে। বকা খায়—তবুও এসবেই যেন ওদের আনন্দ!

এর মাঝে ট্রেন একটা স্টেশনে থামলো। খানিক বাদেই ছেড়ে গেলো আবার। বাইরে ধীরে ধীরে বসতি কমে এলো। নিভে যেতে লাগলো বসতিগুলোর বিন্দু বিন্দু আলো। শুরু হলো বিস্তীর্ণ ফাঁকা মাঠ। রাতের কালোয় আবছা আবছা বোঝা যায় সে মাঠের অস্তিত্ব। মাঠগুলো কখনো ফসলের ক্ষেত, কখনো ঝোপঝাড়ের মতো, কখনো একেবারে শূন্য। কখনো খুব কাছে, কখনো বহু দূরে। ট্রেন চলতে থাকে, আর লাবু এভাবেই রাতের প্রকৃতিকে অনুভব ও উপভোগ করতে থাকে। বাতাসে চুল উড়তে থাকে লাবুর, বুজে আসতে থাকে চোখ।

‘রাত অনেক হয়েছে বাবা, ঘুমিয়ে পড়ো।’
আম্মু আদুরে গলায় কথাটা বলতেই যেন ঘুম পেয়ে যায় লাবুর। লম্বা হাই ওঠে। চলন্ত ট্রেন থেকে রাতের প্রকৃতি অনেক দেখা হলো, লাবু জানালা থেকে এবার সরে আসে। আম্মুর কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়ে লাবু এবং টুপ করে ঘুমিয়ে পড়ে। ট্রেনে লাবুর ভালো ঘুম হয়। ট্রেনের হালকা দুলুনিতে খুব সহজেই সে ঘুমের রাজ্যে হারিয়ে যায়। আম্মু লাবুর মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে ঘুমিয়ে পড়ে নিজেও।

ট্রেনের অধিকাংশ মানুষই ঘুমিয়ে পড়ে। কেউ কেউ আধোঘুমে আর কেউ কেউ হয়তো পুরো ট্রেন পাহারা দিতে জেগেই থাকে। ট্রেন তার নিয়মে নির্দিষ্ট স্টেশনে থামে আবার ছেড়ে যায়। গন্তব্যে নেমে যায় কিছু যাত্রী আবার নতুন করে যোগ দেয় কিছু। রাতের ট্রেন চলতে থাকে এভাবেই।

আম্মুর যখন ঘুম ভাঙলো তখন কেবল সকাল হচ্ছে। আবছা আলো এসে পড়ছে জানালা দিয়ে। সূর্যটা এখনো বেরিয়ে আসে নি। অল্প সময়ের মধ্যেই পুব আকাশের গা ঘেঁষে উঁকি দেবে সূর্যটা। তারপর ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসবে। লাল হয়ে বেরিয়ে এসে ছড়াতে থাকবে কিরণ। সকাল হওয়ার এই সময় সূর্যের রূপ পরিবর্তনের দৃশ্য দেখতে যে কারো ভালো লাগবে। আম্মুরও লাগছে।

আর ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই ট্রেন পৌঁছে যাবে গন্তব্যে। বড় আব্বু ফোন করে। স্টেশনে এসে অপেক্ষা করছে বড় আব্বু। লাবুদের অবস্থানের খোঁজখবর নেয়।
লাবু এখনো ঘুমিয়ে। ধীরে ধীরে সূর্যটা বেরিয়ে এসেছে, একটু উপরে উঠে এসে রোদের ছটা দিতে শুরু করেছে। সেই ছটা লাবুর মুখের ওপর পড়ছে।

আম্মু ডেকে তোলে লাবুকে, ‘লাবু, বাবা ওঠো। সকাল হয়ে গেছে।’ লাবুর গায়ে হালকা ধাক্কা দিয়ে ডাকে আম্মু। এক ডাকেই উঠে পড়ে লাবু। কিন্তু চোখ খুলতে পারে না সূর্যের আলোর ছটায়। হাত দিয়ে চোখ ঢেকে উঠে বসে।
‘আর কতদূর আম্মু?’
‘এইতো আর একটু। নে, পানি দিয়ে মুখটা একটু ধুয়ে নে।’
আম্মু পানির বোতল এগিয়ে দেয়। জানালা দিয়ে মাথা বের করে মুখ ধুয়ে নেয় লাবু। তারপর আবার বাইরের দৃশ্য দেখতে থাকে—ধানক্ষেত, সারি সারি তালগাছ, নাম না-জানা আরো কত গাছ, দু-একটি খাল, উড়ে বেড়ানো পাখি, আকাশে ভেসে বেড়ানো মেঘ, ট্রেনের সাথে পাল্লা দিয়ে গাছ ও মেঘগুলোর ক্রমেই পিছিয়ে পড়া—আরো কত কী।
ট্রেন যে গ্রামের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে তার পরের গ্রামেই লাবুদের গন্তব্য, লাবুর দাদুর বাড়ির গ্রাম। লাবু তা বুঝতে পারে, একটু নড়েচড়ে বসে।

দেখতে দেখতেই শেষ হয়ে আসে পথ। ট্রেনের হুইসেল বেজে ওঠে। লাবু নড়েচড়ে বসে।
‘চলে এসেছি না আম্মু?’
‘হুম।’
আম্মু এবং লাবু তাদের লাগেজগুলো হাতের কাছে নেয়।
ট্রেন থামলে আগে আগে নামে লাবু। নেমেই দেখে বড় আব্বু দাঁড়িয়ে আছে। ‘বড় আব্বু’ বলে চিৎকার করে দৌড়ে গিয়ে কোলে চড়ে বসে লাবু। বারো বছরের ছেলে এখনো কোলে চড়ে! কিছুটা লজ্জাজনক বিষয়! তবে, কেবল বড় আব্বুর কোলেই চড়ে, আর কারো কোলে চড়তে সাহস পায় না। যদি ফেলে দেয়, এই ভয়ে!

বড় আব্বুর সাথে হারুন ভাইও এসেছে। প্রতিবারই আসে। হারুন ভাই ওদের বাড়িতে কাজ করে। ছোটবেলা থেকেই লাবু ওকে দেখে আসছে। হারুন ভাইয়ের বয়স বেশি না। হালকা-পাতলা গড়ন, সামনের দুটো দাঁত উঁচু, এতটাই উঁচু যে ও দুটো দাঁত ঠোঁট দিয়ে ঢাকা যায় না, বেহায়ার মতো সারাক্ষণ সবার সামনে বেরিয়ে থাকে দাঁত দুটো। হারুন ভাইয়ের পরনে সবসময় হাফহাতা শার্ট আর লুঙ্গি থাকে। লুঙ্গি আবার গোড়ালির অনেক উপরে উঠে থাকে। এবং কথা বলার সময় হারুন ভাই উঁচু দাঁত দুটোর সঙ্গে বাকি দাঁতগুলোও বের করে অনেকটা হাসি হাসি ভাব করে থাকে, তা সে কথার মধ্যে হাসির কিছু থাক বা না থাক, এমনকি তার কান্না কান্না ভাবটাও অনেকটা হাসি হাসি ভাবের মতো!

বড় আব্বু লাবুর এলোমেলো চুলগুলো আরো এলোমেলো করে দিয়ে বললো, ‘বাপজান, পথে কোনো কষ্ট হয় নাই তো?’
‘কষ্ট হবে কেন! বরং রাতের ট্রেনে অনেক ভালো লাগে আমার। আর সারারাত তো ঘুমিয়েই কাটিয়ে দিয়েছি!’
‘ও, আচ্ছা।’ লাবুর কথা শুনে বড় আব্বু একটু হেসে ফেলে।
‘কিন্তু, রুবেল কই বড় আব্বু? ও এলো না কেন? নাকি ওকে নিয়ে আসেন নি!’ কিছুটা অভিযোগের সুরে বলে লাবু।
বড় আব্বু একটু শব্দ করে হেসে বললো, ‘গাধাটা ঘুম থেকে উঠেছে নাকি! ঘুম থেকে উঠলে তো আমাকে আনতে হতো না, ও নিজেই ছুটে চলে আসতো।’
‘কি! ও এখনো ঘুম থেকে ওঠে নি! দাঁড়ান, গিয়ে মজা দেখাচ্ছি।’
‘নে, হয়েছে, মুরুব্বিগিরি দেখাতে হবে না! এখন বড় আব্বুর কোল থেকে নাম, এত বড় ছেলে কোলে চড়ে বসে আছিস, লজ্জা করছে না তোর!’
লাবুকে জবাব দিতে হলো না, আম্মুর কথার জবাব বড় আব্বুই দিলো, ‘ও কী কথা ছোট বউ, কোলে চড়ার মধ্যে লজ্জার কী আছে! শুধু কোলে না, দরকার হলে ঘাড়ে চড়ে বসে থাকবে, কী বলো বাপজান?’
‘হুম, তাইতো।’ বড় আব্বুর কথায় সায় দিয়ে আম্মুকে ভেঙচি কেটে দিলো লাবু।
‘ঠিক আছে, আপনারা ওকে শুধু ঘাড়ে না, দরকার হলে মাথায় তুলে রাখেন। দুই বাপের প্রশ্রয়ে প্রশ্রয়েই তো দিন দিন আরো দুষ্টু হচ্ছে। গ্রামে গিয়ে যখন দুষ্টুমি করে বেড়াবে, নানা দিক থেকে নালিশ আসবে তখন সামাল দিয়েন!’
‘এই বয়সে তো একটু দুষ্টুমি করবেই। এটা এমন কি! এখন দুষ্টুমি করবে না তো কী আমার মতো বুড়ো হয়ে করবে! কী বলো বাপজান?’
‘হুম, তাইতো।’ বড় আব্বুর কথায় সায় দিয়ে আবারো আম্মুকে ভেঙচি কেটে দিলো লাবু।
আম্মু আর কথা বাড়ালো না। এ জুটির সাথে কথায় পারা যাবে না, আম্মু তা ভালো করে জানে। গ্রামে এসে লাবু যে দুষ্টুমি করে বেড়ায় তাতে বড় আব্বুর প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় থাকে। অবশ্য আব্বু-আম্মুও বিশেষ কোনো শাসন করে না। বড় আব্বু, আব্বু, আম্মু—কেউ-ই তেমন রাগী মানুষ না, সবাই মোটামুটি রসিক মানুষ। আব্বু সারাদিন কাজে বাইরে থাকে। তার সাথে লাবুর যোগাযোগ তাই কম, সখ্যও কম। এ কারণে ভয় যা করার—আব্বুকেই একটু করে। আম্মুর সাথে লাবুর সম্পর্ক একেবারে বন্ধুর মতো। আম্মুর শাসন-বারণ পর্বটাও অনেকটা খেলার মতো, শাসন করতে হবে, বারণ করতে হবে বলেই করা। প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় তাই আম্মুরও থাকে। তবে, বিশেষ কোনো বেয়াদবি-দুষ্টুমির ঘটনা ঘটিয়ে ফেললে, মাত্রা-ছাড়া অবাধ্য কিছু করে বসলে এই আম্মুই আবার বদলে যায়। এমন মার মারে যে কখনো কখনো জ্বর এসে যায় লাবুর।

হারুন ভাই এতক্ষণ কথা বলার কোনো সুযোগ পায় নি। এ পর্যায়ে একটু সুযোগ পেয়ে যথারীতি দাঁত বের করে হাসি হাসি ভাব করে সে তাড়া দিলো, ‘আপনেরা কি এইহানে খাড়াইয়া দিন পার করবেন! বাড়ির দিকে যাওন লাগবো না!’
‘হ্যাঁ, বাপজান চলো বাড়ি যাই। তারপর জমিয়ে গল্প-সল্প করা যাবে।’
‘হুম, চলেন।’

(চলবে)

 

লেখক পরিচিতি
মুহসীন মোসাদ্দেক
জন্ম ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৮; রাজশাহী, বাংলাদেশ। ২০১০ সালে প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘ঘন অন্ধকারের খোঁজে’ এবং ২০১৪ সালে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ ‘ঘি দেয়া গরম ভাত আর চিতল মাছের পেটি’। মাঝে ২০১৩ সালে কিশোর গল্পগ্রন্থ ‘মগডাল বাহাদুর’ প্রকাশিত হয়। প্রাণিবিদ্যায় স্নাতকোত্তর সম্পন্নের পর এমবিএ করেন ব্যবস্থাপনা শিক্ষায়। বর্তমানে স্বনামধন্য একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মানবসম্পদ বিভাগে কাজ করছেন। বই প্রকাশে দীর্ঘ বিরতি চললেও লিখে যাচ্ছেন নিয়মিত। শিশু-কিশোরদের জন্য লিখতে ভালোবাসেন, বিশেষ করে দুরন্তপনার গল্পগুলো। লেখকের কৈশোর জীবন তুমুল দুরন্তপনায় কেটেছে এমনটা নয়, তবু বেশ রঙিন এক কৈশোর কাটিয়েছেন মফস্বল শহরে। রঙিন সে জীবনে ফিরে যাবার সুযোগ না থাকায় খুব আফসোস হয়। এ আফসোস ঘোচাতেই লেখার মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে ফিরিয়ে নিয়ে যান কৈশোরে আর দুরন্তপনায় মেতে ওঠেন ইচ্ছেমতো। প্রত্যাশা কেবল এতটুকুই, কিছু উপযুক্ত পাঠক সঙ্গী হোক তার লেখার এ দুরন্ত জীবনে।

9 Comments

Leave a Reply

error: Content is protected !!
WordPress Workshop Nomic – Corporate & Business Elementor Template Kit Nonprofit Charity WordPress Theme – ePress Nonprofit – NGO & Charity organization WordPress Theme Nonprofit ProFund - Charity Theme Nonprofit ProFund – Charity WordPress Theme Noo Before After – Ultimate Before After Plugin for WordPress Noobz – E-sports Elementor Template Kit Noor Multi-Purpose Theme & Fully Customizable Creative AMP Theme Nora – WooCommerce Theme for Fashion Stores Norebro - Creative Portfolio Theme for Multipurpose Usage