Wednesday, September 30, 2026
গল্পফিচার নিউজশিল্প-সাহিত্য

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০২)

মুহসীন মোসাদ্দেক

 

(পূর্ব প্রকাশের পর)

হারুন ভাই লাগেজগুলো নিয়ে ভ্যানে তোলে। ভ্যান আগে থেকেই ঠিক করা। ভ্যানচালকও লাবুর পরিচিত। রহিম পাইলট, লাবু ভ্যানচালক রহিমের নামের সাথে পাইলট লাগিয়ে দিয়েছে। গ্রামের অনেকেই তাকে এখন রহিম পাইলট নামে ডাকে।

লাগেজগুলো তোলার পর সবাই ভ্যানে উঠে বসে। তারপর দুই মাইল দূরে লাবুদের গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ভ্যানের পেছনে পা ঝুলিয়ে বসেছে লাবু। ওর পা দুলছে। মাঝে একপাশে লাগেজ আর একপাশে আম্মু পা তুলে বসেছে। সামনের দুইপাশে বড় আব্বু আর হারুন ভাই বসেছে।

ভ্যান প্রথমে একটি পাকা রাস্তা দিয়ে চলতে চলতে মাটির রাস্তায় ঢুকে গেলো। মাটির রাস্তাটা খুব সমতল নয়, জায়গায় জায়গায় এবড়োথেবড়ো। মাঝে মাঝে যে ঝাঁকি দিচ্ছে তাতে শরীর দুলে উঠছে। ভ্যানের পেছনে বসে দুলতে ভালোই লাগছে লাবুর।

হারুন ভাই একবার পিছে ঘুরে লাবুকে বললো, ‘ভালো কইরা ধইরা থাকো লাবু ভাই। পইড়া যাইবা নাইলে।’
‘ভালো করেই ধরে আছি হারুন ভাই। তুমি কোনো চিন্তা করো না।’
‘আইচ্ছা।’

হারুন ভাই লাবুর চেয়ে বয়সে বেশ বড়। তবুও লাবুকে সবসময় ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করে।

লাবুরা যখন গ্রামে আসে তখন ওদের সাথে গ্রাম্য ভাষায় কথা বলা নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। বড় আব্বু আর বড় আম্মু যথাসাধ্য চেষ্টা করে শহুরে কায়দায় কথা বলতে। জুয়েল ভাই তো এমনিতেই সবসময় শহুরে কায়দায় কথা বলে। তবে, লাবুর বন্ধুরা পুরোপুরি পারে না। আবার পুরোপুরি গ্রাম্য ভাষাও বলতে পারে না সংকোচে। তাই ওদের ভাষাটা শহর-গ্রাম মিশিয়ে উচ্চারিত হয়। কেবল হারুন ভাই কোনো চেষ্টাই করে না। তবে ভাষা নিয়ে এই সংকোচের বিষয়টা লাবুর ভালো লাগে না। যেখানের যে নিয়ম সেখানে তা-ই থাকা উচিত। গ্রামের মানুষেরা সবসময় যেভাবে কথা বলে লাবুদের উপস্থিতিতেও সেভাবেই বলা উচিত। হঠাৎ করে কোনো কিছু পরিবর্তন করতে যাওয়াটা ভালো ফলাফল আনতে পারে না। লাবু যখন গ্রামে আসে তখন এই ব্যাপারটা নিয়ে প্রায়ই বড় আব্বু বা ওর বন্ধুদের নানারকম আলাপ করতে শোনে। লাবু তাতে খুব বিরক্ত হয়। লাবু বেশ ভালোভাবেই গ্রাম্য ভাষাটায় অভ্যস্থ। এমনকি সেও এক-দুইবার এ ভাষায় কথা বলে। লাবু শহরে ফিরে গিয়েও মাঝে মাঝে গ্রাম্য ভাষা উচ্চারণ করে ফেলে। ওর বন্ধুরা এ নিয়ে হাসাহাসি করে। ও তাতে মাথা ঘামায় না।

আম্মু ও বড় আব্বু জমি-জমা সংক্রান্ত কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু করে। লাবু এরকম আলোচনার মাঝে মাথা ঢোকায় না। কখনো শুধু শোনে, কখনো শোনেও না। পা দুলিয়ে আশেপাশের গাছপালা-ক্ষেত এসব দেখতে থাকে। আর তার বন্ধুদের কথা ভাবতে থাকে। বহুদিন পর আবার সবাই একসাথে হবে। কত মজা করবে, কত প্ল্যান করে রেখেছে। ওর মাথায় এখন শুধু এসব ঘুরপাক খেতে থাকে।

এক সময় কেউ আর কোনো কথা বলে না। সবাই চুপ হয়ে যায়। মৃদু দোলায় ভ্যান চলছে। চেইন আর চাকায় ক্যাঁচক্যাঁচ করে এক ধরনের শব্দ হচ্ছে। বাতাসে গাছের পাতা নড়ারও এক ধরনের শব্দ হচ্ছে। পরিবেশটা চমৎকার। দুপাশেই ধানক্ষেত। ধানক্ষেতের সবুজ সমারোহে কেমন যেন মায়াবী একটা পরিবেশ। দূরে বড় বড় গাছের সারি, দুই-একটা বাড়ি আর খোলা আকাশ। দুই পাশের এই মনোরম পরিবেশের মাঝ দিয়ে চলে গেছে এই মাটির রাস্তা। সম্ভবত এরকম পরিবেশে চুপ করে থাকাই উত্তম। হয়তো সবাই সেটা উপলব্ধি করেছে, তাই চুপ করে আছে।
ভ্যানটা লাবুদের বাড়ির গলিতে ঢুকতেই লাবু একটু নড়েচড়ে বসলো। আর মাত্র কয়েক মুহূর্ত। এখান থেকে বাইরের দরজাটা দেখা যাচ্ছে। লাবুর আশা ছিল স্টেশনে না এলেও এরই মধ্যে ঘুম থেকে উঠে অন্য চারজনকে নিয়ে তাকে স্বাগত জানাতে দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকবে রুবেল। কিন্তু দরজার দিকে তাকাতেই লাবুর আশার গুড়ে বালি পড়ে গেলো! দরজার সামনে কেউ নেই! আশেপাশেও চোখ ঘুরিয়ে দেখলো লাবু, কোথাও-ই কেউ নেই, কারো কোনো চিহ্ন নেই, তাকে স্বাগত জানাবার কোনো আয়োজন নেই! আশ্চর্য লাগে লাবুর। এমন তো হয় না, হওয়ার কথাও না! কিছু বোঝার আগেই দরজার সামনে এসে ভ্যান থামে। লাফ দিয়ে ভ্যান থেকে নেমেও লাবু বিশ্বাস করতে পারে না কেউ তার জন্য অপেক্ষায় নেই! বছরে দুইবার লাবুরা গ্রামে আসে। একবার বার্ষিক পরীক্ষার পর শীতের ছুটিতে, আর একবার এই সময় এই গ্রীষ্মের ছুটিতে। গত শীতে যখন এসেছিল তখনো এমন সাতসকালে ওরা অপেক্ষায় ছিল। কয়েক মাসের ব্যবধানে এমন কী হলো যে নিয়মটা বদলে গেলো!

ভ্যান থামিয়ে বেল বাজাতে থাকে রহিম পাইলট। বেলের শব্দে বড় আম্মু বেরিয়ে এলো হাসিমুখে। এসেই লাবুকে বুকে জড়িয়ে ধরে আদর করে বললো, ‘বাপজানের মুখটা তো একেবারে শুকায় গেছে! খিদা লাগসে বুঝি! আসো, তাড়াতাড়ি ভেতরে আসো। বাপজানের জন্য কত কিছু রাইন্ধা রাখছি—’
‘আপনি কেমন আছেন বড় আম্মু?’
‘হ্যাঁ বাপজান, আমি খুব ভালো আছি। এখন ভেতরে আসো, হাত-মুখ ধুয়ে খাওয়া-দাওয়া করো, তারপর কথা বলা যাবে।’

ভেতরে গিয়েও রুবেলের কোনো সাড়া শব্দ পাওয়া গেলো না। লাবু রুবেলের ঘরে গিয়ে উঁকি দিলো। রুবেল ঘরে নেই। জুয়েল ভাইয়ার ঘরও খালি। জুয়েল ভাই অবশ্য সকাল সকালই বেরিয়ে যায়। অস্থির হয়ে উঠলো লাবু। মনটা একেবারে খারাপ হয়ে গেলো। এ বিষয়ে কারো মাথাব্যথা দেখা গেলো না। বড় আম্মু খাবার নিয়ে হুলুস্থুল লাগিয়ে দিলো। আম্মুও হাত লাগালো তার সাথে। বড় আব্বু বাজারে যাবার প্রস্তুতি নিতে লাগলো। হারুন ভাই লাবুদের হাত-মুখ ধোয়ার জন্য কুয়ো থেকে পানি তুলতে লাগলো।

লাবুর সামনে একগাদা খাবার এনে হাজির করলো বড় আম্মু। অন্য সময় হলে খাবার দেখেই ও লাফালাফি শুরু করতো। ওর প্রিয় সব রকম পিঠাই বানিয়েছে বড় আম্মু। বড় আম্মু সবসময় লাবুর পছন্দের খাবারগুলো তৈরি করে আর রান্নাটাও হয় একেবারে ফাটাফাটি। কোনটা আগে খাবে, কোনটা পরে খাবে—সেটা নিয়েই চিন্তায় পড়ে যেতে হয়। কিন্তু এবারে অন্য ব্যাপার। ওর মোটেও লাফাতে ইচ্ছে করলো না। খেতেও বসলো না। বিরক্ত হয়ে বললো, ‘বড় আম্মু, রুবেল কোথায়? ওকে দেখছি না কেন?’

বড় আম্মু বললো, ‘রুবেল তো ঘুম থেকে উঠেই তাড়াতাড়ি বের হয়ে গেলো। আমি তো ভাবলাম—’ একটু থেমে বললো, ‘কিন্তু গেলো কই? লাবু বাপজান কী এই জন্যেই মুখটা পানসি কইরা রাখছো! আগে খেয়ে নাও বাপজান। ওই আর যাইবো কই। চলে আইসবে।’

লাবু কোনো কথা বললো না। বিষয়টা সে বুঝতে পারলো না। রুবেল কি তার জন্য কোনো সারপ্রাইজ রেখেছে? নাকি সত্যি সত্যি তাকে ভুলে গেছে, লাবুর আসা-যাওয়ায় তার কোনো যায় আসে না! লাবুর কাছে এ হিসাব মেলে না।
হারুন ভাই লাবুকে ডাকলো, ‘লাবু ভাই, আসো হাত-মুখ ধুইয়া নাও।’

বারান্দায় পাটি পেতে খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। লাবু হাত-মুখ ধুয়ে খেতে বসলো। বড় আম্মু পাশে বসে থাকলো। আম্মুও বসলো। বড় আব্বু স্টেশনে যাবার আগেই খেয়ে নিয়েছে। ব্যাগ নিয়ে বাজারে চলে গেলো বড় আব্বু।

লাবু খেলো, কিন্তু মোটেও মজা করে খেলো না।

খাওয়া শেষে লাবু উঠে যেতেই হারুন ভাই বললো, ‘লাবু ভাই, তুমি পুকুরঘাটে গিয়া বসো, আমি রুবেলরে খুঁইজা আনতেছি।’
হারুন ভাইয়ের কথায় লাবু একটু স্বস্তি পেলো। লাবু বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে বাঁধানো সিঁড়িতে বসে গোড়ালি পর্যন্ত পা পানিতে ডুবিয়ে দিলো। এই পুকুরঘাট লাবুর খুব প্রিয়। এখানে বসে পানিতে পা ডুবিয়ে থাকতে খুব ভালো লাগে তার। কিন্তু আজ আর ভালো লাগছে না। রুবেলদের কথা ভাবতে গিয়ে মনটা খুব খারাপ হয়ে গেলো। হাঁটুর ওপর দুই হাত রেখে মাথা গুঁজে বসে থাকলো। এভাবে বসে থাকতে থাকতে কিছুটা আনমনা হয়ে গিয়েছিল লাবু। আর ঠিক তখনই ঘটলো ঘটনাটা। পেছন থেকে ধাক্কা মেরে লাবুকে পুকুরের পানিতে ফেলে দিলো কে যেন। লাবু হুড়মুড় করে পানিতে পড়ে গেলো। আর তখন পানির ভেতর থেকে ভুস করে তিনজন উঠে এলো। লাবু একেবারে ভয় পেয়ে গেলো। লাবু শুনতে পেলো কারা যেন খিলখিল করে হাসছে। ভালো করে তাকিয়ে দেখে সিঁড়ির ওপর রুবেল আর সুরুজ পেটে হাত দিয়ে এমনভাবে হাসছে যে পেটের নাড়িভুড়ি বুঝি বেরিয়ে যাবে! লাবু আরো ভালোভাবে দেখার চেষ্টা করে কিন্তু পানির ভেতর থেকে ভুস করে উঠে আসা তিনজন—মিন্টু, টিপু আর ইলিয়াস খিলখিল করে হাসছে আর পানির ঝাপটা দিয়ে যাচ্ছে। লাবুর সবকিছু বুঝে উঠতে একটু সময় লাগে। যখন বুঝলো ওরা তার সঙ্গে মজা করছে, যাদের দেখা না পেয়ে ওর মন অস্থির হয়ে উঠেছিল তারা ওকে নিয়ে একটা মজার খেলায় মেতে উঠেছে তখন সে প্রথমে একটু লজ্জা পেয়ে গেলো। তারপর একটা ধমক দিয়ে বললো, ‘কী করছিস তোরা! থাম বলছি, অনেক হয়েছে।’

পানির ঝাপটা বন্ধ হলেও হাসি বন্ধ হলো না। সুরুজ তার সবকটা দাঁত বের করে খিলখিল করে হাসতে হাসতে বললো, ‘কিরে, কিরাম মজা দেখাইলাম?’
লাবু হাত নেড়ে উড়িয়ে দেবার ভঙ্গি করে বললো, ‘মজা না ছাই। ধুত্তুরি!’

তারপর যেই না ওপরে ওঠার জন্য একধাপ দিয়েছে পানিতে থাকা মিন্টু আর টিপু ডুব দিয়ে পানির তল দিয়ে ওর পা ধরে টান দিয়ে একেবারে পানিতে চুবিয়ে দিলো। তা দেখে সবাই এমন করে হাসতে লাগলো যে এখানে বুঝি হাসির কোনো নাটক হচ্ছে। লাবু কোনোরকমে পানির ওপর ভেসে উঠে দাঁত কিড়মিড় করে বললো, ‘কী হচ্ছে এগুলো! আমি তোদের খবর করে ফেলবো!’ এই বলে যেই না মিন্টুকে ছোঁ মেরে ধরতে গেছে ওমনি ভুস করে সে পানিতে ডুব দিলো। তারপর টিপুর দিকে তাকাতে টিপুও ভুস করে ডুবে গেলো। ইলিয়াসের দিকে তাকানোর আগেই সে ডুব দিলো। তারপর কিছুটা দূরে গিয়ে তিনজনই ভুস করে আবার ভেসে উঠলো। সবাই আবার খিলখিল করে হাসতে শুরু করলো। এমন করে যে, মনে হলো এবার বুঝি সত্যিই তাদের নাড়িভুড়ি বেরিয়ে আসবে! লাবু সাঁতার জানে, বেশ ভালোই জানে। কিন্তু যারা সারাদিন পানিতে ডুবে থাকে, ব্যাঙাচির মতো সাঁতার কাটে তাদের বিরুদ্ধে সাঁতার কাটা বোকামি ছাড়া আর কিছু না। লাবু তাই ওপরে উঠে আসলো।

কিছুটা অভিযোগের সুরে লাবু বললো, ‘এসে তোদের না দেখে মনটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল। সেই কখন থেকে তোদের খুঁজছি, আর তোরা তলে তলে এই ফন্দি এঁটে বসে ছিলি!’

‘হেব্বি মজা হইলো না!’ সুরুজ দাঁত বের করে হেসে হেসে বলে।

অন্যরাও হাসে। লাবু কোনো কথা বললো না। ওর একটু লজ্জা লাগে। কী খেলাটাই না খেললো ওর সাথে। আর সে কিনা ভেবেছিল ওর বন্ধুরা ওকে ভুলে গেছে!
রুবেল এবার প্রায় আর্তনাদ করে ওঠে, ‘হায়রে, তাড়াতাড়ি বাড়ি গিয়া কাপড় বদলায় নে। আব্বা আইসা যদি দেখে তোরে পানিতে চুবায় এই অবস্থা করছি তা হইলে আমার জান শ্যাষ কইরা ফেলবে!’
লাবু রেগেমেগে বললো, ‘আমার এই অবস্থা করতে তোদের বলেছেটা কে!’
মিন্টু, টিপু আর ইলিয়াস পানি থেকে উঠে এসেছে। টিপু মাথা চিপে পানি বের করতে করতে বললো, ‘যা করেছি বেশ করেছি।’
সবাই এমন ভাব করলো যে কথাটা ঠিকই।

এভাবে ওরা লাবুকে নিয়ে আরো কিছুক্ষণ হাসাহাসি করলো। তারপর বাড়ির ভেতরে গেলো। যাওয়ার পথে রুবেল একটু গম্ভীর হয়ে বললো, ‘আমাদের টাইট দেয়ার জন্য একটা ফন্দি করা হইছে, সেইটা জানিস?’

(চলবে)

পূর্ববর্তী পর্বসমূহ:
লেখক পরিচিতি
মুহসীন মোসাদ্দেক
জন্ম ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৮; রাজশাহী, বাংলাদেশ। ২০১০ সালে প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘ঘন অন্ধকারের খোঁজে’ এবং ২০১৪ সালে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ ‘ঘি দেয়া গরম ভাত আর চিতল মাছের পেটি’। মাঝে ২০১৩ সালে কিশোর গল্পগ্রন্থ ‘মগডাল বাহাদুর’ প্রকাশিত হয়। প্রাণিবিদ্যায় স্নাতকোত্তর সম্পন্নের পর এমবিএ করেন ব্যবস্থাপনা শিক্ষায়। বর্তমানে স্বনামধন্য একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মানবসম্পদ বিভাগে কাজ করছেন। বই প্রকাশে দীর্ঘ বিরতি চললেও লিখে যাচ্ছেন নিয়মিত। শিশু-কিশোরদের জন্য লিখতে ভালোবাসেন, বিশেষ করে দুরন্তপনার গল্পগুলো। লেখকের কৈশোর জীবন তুমুল দুরন্তপনায় কেটেছে এমনটা নয়, তবু বেশ রঙিন এক কৈশোর কাটিয়েছেন মফস্বল শহরে। রঙিন সে জীবনে ফিরে যাবার সুযোগ না থাকায় খুব আফসোস হয়। এ আফসোস ঘোচাতেই লেখার মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে ফিরিয়ে নিয়ে যান কৈশোরে আর দুরন্তপনায় মেতে ওঠেন ইচ্ছেমতো। প্রত্যাশা কেবল এতটুকুই, কিছু উপযুক্ত পাঠক সঙ্গী হোক তার লেখার এ দুরন্ত জীবনে।
error: Content is protected !!
WordPress Workshop Kano – Creative MultiPurpose WordPress Theme Kapee - Modern Multipurpose WooCommerce Theme Kappe – Full Screen Portfolio & Blog WP Theme Kareer – Human Resource & Recruitment Agency Elementor Template Kit Karenderia Multiple Restaurant System Kareta – Car Rental Services Elementor Template Kit Kargo – Delivery & Storage Template Kit Karla – WordPress eCommerce Theme Karma – Blog & Magazine Elementor Template Kit Karma – Responsive WordPress Theme