Sunday, July 5, 2026
Latest Newsফিচার নিউজসম্পাদক সমীপেষু

রোজার নিয়ত, সেহরি ও ইফতার

মিজানুর রহমান : পবিত্র মাহে রমজান শুরু হয়েছে। আজ তৃতীয় রমজান। মহান আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি লাভের আশায় এক মাস সিয়াম সাধনা করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। রোজা রাখা ও রোজা ভেঙে ইফতার করার জন্য রয়েছে দোয়া। যার মাধ্যমে নেকি লাভ করা যায়। পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা। প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলমান নারী-পুরুষের জন্য রোজা রাখা ফরজ। রোজা রাখার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর নৈকট্য ও তাকওয়া লাভে ধন্য হয়।

রমজান শুরু হলে অনেকেই রোজার নিয়ত নিয়ে চিন্তিত থাকেন। অনেকে মনে করেন, রোজার নিয়ত মুখে করতে হয়। সমাজে যে আরবি নিয়ত প্রচলিত আছে তা বলতে হয়, নইলে কমপক্ষে মুখে এতটুকু বলতে হয় যে, আমি আগামীকাল রোজা রাখার নিয়ত করছি। এমন ধারণা সঠিক নয়। কারণ রোজার জন্য মৌখিক নিয়ত জরুরি নয়; বরং অন্তরে রোজার সংকল্প করাই যথেষ্ট। এমনকি রোজার উদ্দেশ্যে সেহরি খেলেই রোজার নিয়ত হয়ে যায়। সুতরাং এ কথা ভাবার কোনো সুযোগ নেই যে, মুখে রোজার নিয়ত না করলে রোজা হবে না।

অনেকে হয়তো এ দোয়া জানেন না। কিংবা জানলেও ভুলে গেছেন। তাদের জন্য দেওয়া হলো রোজা রাখার নিয়ত ও ইফতারের দোয়া-

রোজা রাখার নিয়ত:

উচ্চারণ- নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রমাদ্বানাল মুবারকি ফারদ্বল্লাকা ইয়া আল্লাহু ফাতাক্বব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আনতাস সামীউল আলীম।

অর্থ- হে আল্লাহ! আগামীকাল পবিত্র রমযান মাসে তোমার পক্ষ হতে ফরজ করা রোজা রাখার নিয়ত করলাম, অতএব তুমি আমার পক্ষ হতে তা কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

রোজার বাংলা নিয়ত-

হে আল্লাহ পাক! আপনার সন্তুষ্টির জন্য আগামীকালের রমাদ্বান শরীফের ফরজ রোযা রাখার নিয়ত করছি। আমার তরফ থেকে আপনি তা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাত।

ইফতার করার সময় মহান আল্লাহর কাছে শোকরিয়া আদায় করতে হয়।

ইফতারের আগে যে দোয়া পড়তে হয়-

উচ্চারণ: ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু, ওয়া আ’লা রিযক্বিকা আফত্বারতু।’

অর্থ: ‘আল্লাহর নামে (শুরু করছি); হে আল্লাহ! আমি তোমারই জন্যে রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেওয়া রিজিক দ্বারা ইফতার করছি। (আবু দাউদ মুরসাল, মিশকাত)

ইফতারের সময় যে দোয়া পড়তে হয়-

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন।’

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিক্বের মাধ্যমে ইফতার করছি।

ইফতারের পর যে দোয়া পড়তে হয়-

উচ্চারণ: ‘জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতালাতিল উ’রুকু; ওয়া ছাবাতাল আঝরূ ইনশাআল্লাহ।’

অর্থ: ‘(ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপসিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সাওয়াবও স্থির হলো।’ (আবু দাউদ, মিশকাত)

ইফতারের সময় যে যে কাজগুলো করতে হয়-

১. ইফতারের সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা।

২. অন্য কাজে ব্যস্ত না হয়ে ইফতারে মনোযোগ দেওয়া।

৩. বেশি বেশি দোয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করা।

৪. খেজুর কিংবা সাদা পানি দিয়ে ইফতার করে মাগরিবের নামাজ আদায় করা।

৫. ইফতারের সময় ভারী খাবার না খাওয়া। মাগরিবের নামাজ আদায় করে তারপরে তৃপ্তিসহ খাবার খাওয়া। তাতে শরীর সুস্থ ও সবল থাকে।

 

Leave a Reply

error: Content is protected !!
WordPress Workshop Brixey – Responsive Architecture WordPress Theme Brixton - A Responsive WordPress Blog Theme Brixton Blog – A Responsive WordPress Blog Theme Brünn – Creative Agency WordPress Theme Broadcasting Extension for Flow-Flow Social Stream Brodie – Personal Portfolio WordPress Theme Brodus – Personal Blog WordPress Theme Broly – Creative Multi-Concept WordPress Theme Bronx | Portfolio WordPress Theme Brook – Creative Agency & Business HTML Template