Monday, August 17, 2026
Latest Newsফিচার নিউজরাজ্য

কন্ঠ রোধের চেষ্টা! একের পর এক মামলা আরামবাগ টিভির বিরুদ্ধে

নিজস্ব সংবাদদাতা, দৈনিক সমাচার, আরামবাগ : অপরাধ অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হয়ে সত্যকে সামনে তুলে ধরা গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ সংবাদমাধ্যমের কাজ। সেটা করতে গিয়ে বারবার শাসক দল ও পুলিশ প্রশাসনের রোষের মুখে পড়তে হয়েছে আরামবাগ টিভিকে। যার কারনে আরামবাগ টিভির কণ্ঠরোধ করতে এখন উঠে পড়ে লেগেছে আরামবাগ থানার পুলিশ ও শাসকদলের একশ্রেণীর নেতাকর্মীরা। ইতিমধ্যেই পাঁচটি এফআইআর দায়ের হয়েছে আরামবাগ টিভির সম্পাদক শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে এবং আরামবাগ টিভি রিপোর্টার সুরজ আলি খানের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে তিনটি এফআইআর। আরামবাগ টিভি পুনরায় চালু করার পর এফআইআর করার গতি আরো বেড়েছে। তার পরেও মাথা উঁচু করে আরামবাগ টিভি চালিয়ে যাচ্ছেন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম। কিন্তু এই ঘটনার নেপথ্যে কি আসুন বিস্তারিত দেখে নেওয়া যাক।

ঘটনার সূত্রপাত সরকারের একটি কর্মসূচির খবরকে কেন্দ্র করে। আপনারা সকলেই জানেন রাজ্য সরকার খেলাশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে বিগত কয়েক বছর ধরে বছরে রাজ্যের কয়েক হাজার ক্লাবকে ১ লক্ষ টাকা করে অনুদান দিয়ে থাকে। এবছর করোনা আবহের মধ্যেও সেই কর্মসূচি-এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। করোনা আবহে মানুষ যখন অসহায়, ঠিক সেই সময় খেলাশ্রী প্রকল্পের টাকা ক্লাবগুলোকে বিতরণ করতে শুরু করে রাজ্য সরকার। তবে এবার করোনার জেরে জাঁকজমক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সেই অনুদানের চেক বিলি করা সম্ভব হয়নি। ক্লাবগুলির হাতে অনুদানের চেক তুলে দেওয়ার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল থানা গুলিকে। সেইমতো গত ১১ থেকে ১৪ এপ্রিল আরামবাগ থানা থেকে আরামবাগ ব্লকের ৫৭টি ক্লাবকে ১ লক্ষ টাকা করে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। সেদিন ব্লকের একের পর এক ক্লাবের সদস্যরা লাইন দিয়ে থানা থেকে অনুদানের চেক তুলতে থাকেন। সেই ছবি আরামবাগ টিভিতে প্রথম সম্প্রচারিত হয়। করোনা আবহের মধ্যে ক্লাবগুলোকে দেওয়া এক লক্ষ টাকার এই চেক কোন কাজে ব্যবহৃত হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল সংবাদমাধ্যমেই। এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে আরামবাগ টিভির পক্ষ থেকে ওই চেক অসহায় দরিদ্র মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হোক সেই আশা এবং দাবিও করা হয়েছিল। বিশেষ সূত্র মারফত আরামবাগ ব্লকের যে ৫৭টি ক্লাবকে অনুদান দেওয়া হয় তার তালিকাটি আরামবাগ টিভির হাতে চলে আসে। খবরের ধারাও বাস্তবতাকে আরও প্রতিষ্ঠা করার জন্যই সেই তালিকা আরামবাগ টিভিতে সম্প্রচার করা হয়। আর এখান থেকে আরামবাগ টিভির বিরুদ্ধে শুরু হয় নানান আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া। কেন তারা এই লিস্ট প্রকাশ করেছে এবং কোথা থেকে বা কার কাছ থেকে এই লিস্ট তারা হাতে পেয়েছে সেটি জানতে চাই পুলিশ। তা না বলার কারণেই আরামবাগ টিভির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করে আরামবাগ থানার পুলিশ। কিন্তু ওই লিস্ট প্রকাশ হওয়া নিয়ে আরামবাগ পুলিশের সমস্যা কোথায়? আসুন দেখে নিই এবার সেই ঘটনার নেপথ্যে কি রয়েছে।

প্রশাসনিক সূত্র মারফত জানা গিয়েছে বিস্ফোরক তথ্য। শুধু আরামবাগ টিভি ৫৭ ক্লাবের ওই তালিকা প্রকাশ করেছে এমনটা নয়। পুলিশের সমস্যা বাড়িয়েছে প্রথম সারির দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা। আরামবাগ টিভি ওই লিস্ট পাবলিশ করলেও ওই লিস্টে থাকা ক্লাবগুলির অস্তিত্ব নিয়ে কোনও প্রশ্ন করেনি বা তদন্ত করেও সেই সময় দেখার সময় পায়নি। আনন্দবাজার পত্রিকার পক্ষ থেকে তদন্ত করে দেখা যায় ওই লিস্টে এমন একটি ক্লাবের নামে অনুদান গেছে যে ক্লাবটির বাস্তবে কোন অস্তিত্ব নেই। সেই টাকা গিয়েছে এক তৃণমূল নেতার পকেট। বাংলার প্রথম সারির দৈনিক পত্রিকায় এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পর এই নড়েচড়ে বসে রাজ্য প্রশাসন। এরইমধ্যে আরামবাগ টিভিতে প্রকাশিত সেই ভিডিও ফুটেজ বিজেপির ফেসবুক পেজ এবং সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এই খয়রাতি নিয়ে সরব হয়। আরামবাগ থানার বিশেষ অফিসারের বিরুদ্ধে শুরু হয় এর পরেই বিভাগীয় তদন্ত। কিভাবে অস্তিত্বহীন ওই ক্লাবের নামে টাকা গেল তা নিয়ে শুরু হয় তদন্ত। ব্যাস, ঘুম ছুটেছে আরামবাগ থানার এক বিশেষ অফিসারের। যিনি থানায় বসে এই তালিকা তৈরি করেছিলেন। ওই পুলিশ অফিসার খোঁজ করা শুরু করেন এই তালিকা তার কাছ থেকে কিভাবে বাইরে বেরিয়ে গেল। আর সেটা খোঁজ করার জন্যই প্রথমেই ধরা হলো আরামবাগ টিভিকে। কারণ আরামবাগ টিভি ওই তালিকায় থাকা ক্লাবের অস্তিত্ব নিয়ে কোন প্রশ্ন না তুললেও এই আরামবাগ টিভি এই তালিকাটি প্রথম প্রকাশ করে। তাই ওই পুলিশ অফিসারের ধারণা হয় আরামবাগ টিভির মাধ্যমে হয়তো অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমের কাছে ওই তালিকা সরবরাহ করা হয়েছে। যদিও পুলিশের এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। আরামবাগ টিভি এই সংক্রান্ত বিষয়ে অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমের কাছে কোন তথ্য শেয়ার করেনি। এই অবস্থায় আরামবাগ টিভির সাংবাদিক সুরজ আলি খানকে ফোন করে জানতে চাওয়া হয় এই তালিকা তাকে কে দিয়েছে। যদিও প্রথমে তাদের খবরের অংশ থেকে ওই তালিকা মুছে দেওয়া যায় কিনা তা দেখার জন্য অনুরোধ করেন এক পুলিশ অফিসার। কিন্তু সংবাদমাধ্যম যে কোন সোর্স প্রকাশ্যে আনে না সেটা ওই পুলিশ অফিসারকে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে সম্প্রচারিত খবরের মধ্যে যে কোনো অসত্য নেই সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে পুলিশের ওই অনুরোধ রাখেননি আরামবাগ টিভি কর্তৃপক্ষ।

এর পরেই নিজেরা বাঁচতে পুলিশের শুরু হয় নানা কৌশল। আরামবাগ থানার পক্ষ থেকে স্বতপ্রণোদিত ভাবে আরামবাগ টিভির সম্পাদক সেখ সফিকুল ইসলাম ও সাংবাদিক সুরজ আলি খানের বিরুদ্ধে প্রথম এফআইআর দায়ের করা হয়। যেখানে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয় ওই তালিকা আরামবাগ টিভির নিজেরা বানিয়ে পুলিশকে বদনাম করার চেষ্টা করেছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা শুরু হয়। এটাই শেষ নয় আরো কৌশল নেয়া হয় পুলিশের তরফে। করোনা আবহে লকডাউন চলার মধ্যেই এক সরকারী অফিসার বাজার করতে গিয়ে মাক্স না পরার পক্ষে একাধিক ব্যাখ্যা দেন। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মাক্স পরা বাধ্যতামূলক করা সত্ত্বেও একজন সরকারি অফিসার কিভাবে এই ব্যাখ্যা দিচ্ছেন তা নিয়েই খবর সম্প্রচারিত করে আরামবাগ টিভি। সুমন্ত যশ নামে সেই সরকারি অফিসার খবর সম্প্রচারের ১৫ দিন পর আরামবাগ মহিলা থানায় আরামবাগ টিভির বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করেন। এই দু’টি এফআইআর হওয়ার পরেই আরামবাগ টিভির সম্পাদক ও সাংবাদিককে থানায় হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ পাঠানো হয়। যদিও করোনার মহামারী আইনের কারণে থানায় হাজির হতে অস্বীকার করেন তারা। আইনজীবী মারফত চিঠি দিয়ে থানাকে তারা জানান প্রয়োজন পড়লে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। এই পরিস্থিতিতে তাদের সম্প্রচারিত খবরের সত্যতা তুলে ধরে একাধিক অনুষ্ঠান করে আরামবাগ টিভি। তথ্য ও যুক্তি দিয়ে পুলিশের অভিযোগ খণ্ডন করে তারা। যদিও আইনকে সম্মান জানিয়ে তদন্তের সব রকম সহযোগিতা করার কথাও বলেছেন আরামবাগ টিভির সম্পাদক ও সাংবাদিক।

কিন্তু আরামবাগ টিভির বিরুদ্ধে পুলিশি এই নির্যাতনের খবর প্রকাশ্যে আসার পর এই দর্শকদের তরফ থেকে একটি প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হন বহু মানুষ। এই অবস্থায় আরামবাগ টিভির জন ভিত্তিকে খন্ডন করতে ফের নতুন কৌশল শুরু হয়। গত ৫ মে হঠাৎ করে লকডাউন এর মধ্যেই আরামবাগ টিভির সম্পাদকের গ্রামের বাড়ি আরামবাগ ব্লকের আরান্ডি-১ অঞ্চলের সামতা মোড় থেকে ধামসা মোড় পর্যন্ত একটি মিছিল হয়। যে মিছিল থেকে আরামবাগ টিভির সম্পাদক এর পক্ষে স্লোগান ওঠে। এই মিছিল থেকে সম্পাদক সফিকুল ইসলাম ও সাংবাদিক সুরজ আলি খানের কাটাউট নিয়ে এগিয়ে চলার আওয়াজ ওঠে। যে মিছিল সম্পর্কে জানতেনই না আরামবাগ টিভির সম্পাদক। মিছিলের কয়েক মিনিট পরেই আরামবাগ টিভির পক্ষ থেকে নয়া কৌশল ফাঁস করে দেয়া হয়। ছবি দেখিয়ে পরিষ্কার বুঝিয়ে দেওয়া হয় এই মিছিলে যারা হাঁট ছিলেন তারা প্রত্যেকেই তৃণমূলের কর্মী। যারা খানাকুল বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। তদন্তে আরো উঠে আসে এই মিছিল করানোর নেপথ্যে ছিলেন খানাকুল ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি নঈমুল হক ওরফে রাঙা। যিনি কিছুদিন আগে তৃণমূলের অবস্থা খারাপ দেখে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। আবার তৃণমূলে ফিরে এসে এভাবেই মিডিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে পথে নেমেছেন। এই মিছিলকে সামনে রেখে নয়া অস্ত্র ব্যবহার করে আরামবাগ থানার পুলিশ। মহামারী আইন চলাকালীন লকডাউন এর মধ্যে মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলার অভিযোগে আরামবাগ টিভি সম্পাদকের বিরুদ্ধে নতুন এফ আই আর দায়ের হয়। কিন্তু এই মিছিলের বিরুদ্ধে আরামবাগ টিভির পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হলেও, সে বিষয়ে এখনো কোনো পদক্ষেপ করেনি আরামবাগ থানা। উল্লেখ্য বিকেলে মিছিল হওয়ার পরে ওই রাতেই আরামবাগ টিভির সম্পাদকের বাড়িতে হামলা হয় বলে অভিযোগ। ৩০-৪০ জনের একটি দল, নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়ির দরজা ধাক্কাধাক্কি করে, জানলা দিয়ে টর্চের আলো ফেলে সম্পাদকের দুই বাচ্চাকে আতঙ্ক গ্রাস করে ফেলে। শুধুই একদিনই নয় পরেরদিন রাতেও সম্পাদকের বাড়িতে হামলা হয়। এর মাঝে একদিন বিকেলে আরামবাগ টিভি সম্পাদকের বাড়ি যাওয়ার রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে এক বিশাল পুলিশবাহিন বাহিনী। নিয়ম করে ভয় দেখানো হয় আরামবাগ টিভি কে। এই পরিস্থিতিতে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে, দুই বাচ্চার মুখের দিকে তাকিয়ে আরামবাগ টিভির সম্প্রচার বন্ধ করে দেয় সম্পাদকের স্ত্রী অালিমা খাতুন।

তারপর থেকে বাড়িতে হামলার ঘটনা না ঘটলেও, কোনো না কোনো অজুহাতে আরামবাগ টিভি সম্পাদকের বাড়িতে যাচ্ছে পুলিশ। কখনো বিভিন্ন মামলার নোটিশ ধরাতে, কখন আদায় মাক্স পিপিই দিতে। তাও আবার রাতের অন্ধকারে।একটি বাড়িতে এক মহিলা দুই সন্তানকে নিয়ে একা থাকা সত্ত্বেও, বারবার পুলিশের এই আগমন আরো ভিতরে তুলে অালিমা খাতুন কে। একই অবস্থা তৈরি হয় সাংবাদিক সুরজ আলি খানের বাড়িতেও। এদিকে প্রথম দুই এফআইআরকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছে আরামবাগ টিভি। যে মামলার লড়তে চলেছেন বিশিষ্ট আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, সব্যসাচী চক্রবর্তী, অরূপ হাজরা প্রমূখ। এই মামলা নোটিশ আসার পরেও থেমে থাকেনি আরামবাগ থানা। বিভিন্ন ব্যক্তিকে দিয়ে একের পর এক কেস করানো হচ্ছে। ঘটনাপ্রবাহ দেখে বোঝা যাচ্ছে, আরামবাগ টিভিতে যে সমস্ত খবর গুলো হয়েছে, খবর যার বিরুদ্ধে গেছে, তাকে দিয়ে এফ আই আর করানো হচ্ছে। যার মধ্যে আরামবাগ পুরসভার একজন ডাক্তার এবং আরান্ডি-১ অঞ্চলের প্রধান সোহরাব হোসেন রয়েছেন। আরো হয়তো কিছু মামলা অপেক্ষা করছে আরামবাগ টিভির উপর। তবে কোনো অবস্থাতেই দমে যাওয়ার পাত্র নয় আরামবাগ টিভির সম্পাদক। আইনজীবীদের পরামর্শে পুনরায় চালু করেছেন আরামবাগ টিভি। এবং পূর্বের ধাঁচেই সত্য খবর কে সামনে তুলে আনছেন তিনি। অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করে আরামবাগ টিভি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার নতুন করে শপথ নিয়েছেন সম্পাদক সেখ সফিকুল ইসলাম। এর জন্য ভবিষ্যতে হয়তো ফের নতুন করে আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে তাকে। যেতে হতে পারে জেলেও। হতে পারেন হেনস্তার শিকার। সেসব কথা মাথায় রেখেই নতুন করে শুরু করেছেন আরামবাগ টিভি। আর যে কোন অনুষ্ঠানের দর্শকসংখ্যা হু হু করে বেড়ে চলেছে। দ্রুত গতিতে বাড়ছে সাবস্ক্রাইবার। এটাই আরামবাগ টিভির সাফল্য বলে মনে করছেন সম্পাদক সেখ সফিকুল ইসলাম। এখন দেখার এই আইনি জটিলতার শেষ কোথায়।

 

আরও খবরাখবর পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রূপে

Leave a Reply

error: Content is protected !!
WordPress Workshop LearnPress – WooCommerce Payment Methods Integration LearnPress WPML Addon LearnWell – Education WordPress Theme Leather Market WP – WooCommerce Responsive Theme Lebuild - Construction Industry Company WordPress Theme Legacy – Antique, Vintage & Collectibles WordPress Theme Legacy – White label WordPress Admin Theme Legal Assistant Pro – EU Cookie Law, Terms & Privacy Generator Legale – Lawyer & Law Firm Template Kit Legalor – Law Firm & Attorney Elementor Template Kit