দৈনিক সমাচার, ডিজিটাল ডেস্ক: কারাগারের অভ্যন্তরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অভিযোগ উঠল ধর্ষণের অপরাধে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত প্রাক্তন সাংসদ প্রজ্বল রেভান্নার বিরুদ্ধে। বেঙ্গালুরুর জেলে এই ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় জেলের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় স্বাতন্ত্র্য রক্ষা ও গাফিলতির অভিযোগে সহকারী সুপারকে বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করা হয়েছে এবং সুপারিটেনডেন্টকে কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অপরাধ দমন শাখার আধিকারিকেরা জেলে আচমকা অভিযান চালান। তল্লাশি অভিযান চলাকালীন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়ার নাতি প্রজ্বলকে ফোন ব্যবহার করতে দেখে ফেলে তদন্তকারী দল এবং তাঁকে হাতেনাতে ধরে ফেলা হয়। এই ঘটনার পর জেলের ভিতর কীভাবে মোবাইল পৌঁছাল, তা খতিয়ে দেখতে পৃথক মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
কর্তব্যে চরম অবহেলার দায়ে জেলের সহকারী সুপার ইরান্না রাঙ্গাপুরকে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলের মুখ্য সুপার আনসুচ কুমারকে ঘটনার স্পষ্টীকরণ চেয়ে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, পারিবারিক বাগানবাড়ির এক মহিলা কর্মীকে দীর্ঘদিন আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগে বেঙ্গালুরুর বিশেষ আদালত গত বছর অগস্টে প্রজ্বল রেভান্নাকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের মুখে বহু আপত্তিকর ভিডিও ফুটেজ সংবলিত পেনড্রাইভ জনসমক্ষে আসার পর বিতর্ক তুঙ্গে উঠলে জেডি(এস) তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করেছিল। এবার জেলের ভেতর ফোন ব্যবহারের কাণ্ড সামনে আসায় নতুন করে শোরগোল তৈরি হল।