Sunday, July 5, 2026
গল্পফিচার নিউজশিল্প-সাহিত্য

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ১৩)

মুহসীন মোসাদ্দেক

 

(পূর্ব প্রকাশের পর)

স্কুল পালিয়ে চড়ুইভাতি…

সকালে পুকুরঘাটে এসে হাজির হয় সবাই। যে যার মতো দাঁত মাজছে। কারো ভেতরে বিশেষ কোনো উত্তেজনা নেই। গত দুদিনের হুলুস্থুল পর্বের পর সবাই কিছুটা ঝিমিয়ে পড়ে। কিছুটা ক্লান্তিও যেন ভর করে। অবশ্য টিপুর ফড়িংকপ্টার প্রজেক্টে আগ্রহের কমতি নেই। বিশেষ কোনো অগ্রগতিও অবশ্য নেই। সকালেও সে এক দফা অভিযান চালিয়ে এসেছে। কিন্তু মনঃপূত সাইজের ফড়িং ধরতে সে সফল হয় নি। মাঝখান দিয়ে সে সবার শেষে এসে উপস্থিত হয়েছে এবং সুরুজের টিটকারি হজম করতে হয়েছে।

সুরুজ দাঁতে কয়লা ঘষতে ঘষতে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, ‘লাস্টে কিন্তু আমরাই জিততাম!’

‘হুম, কাপুরুষগুলা তো খেলা শেষ করার সাহস পাইলো না!’ রুবেল বলে।

‘তবে ম্যাচ কিন্তু জটিল জমছিল!’ মিন্টু অতিউৎসাহী হয়ে বলে।

‘আমরা কিন্তু হেরেও যেতে পারতাম! ওই লম্বা-কালো মতো ছেলেটা যা খেলছিল!’ লাবুর চোখে-মুখে বিস্ময়।

‘উহ, আমারে তো কান্দায় ছাড়ছে! আমার বলে এমন মাইর আগে কেউ মারতে পারে নাই!’ ইলিয়াস বড় বাঁচা বেঁচে গেছে এমন ভাব করে।

‘লাবুও তো কম যায় নাই!’ শেফালি বেশ উচ্ছ্বসিত ভঙ্গিতে বলে, ‘যা মাইর মারলো!’
‘তা ঠিক বলছিস।’ টিপু বলে, ‘লাবু না থাকলে তো আমগো একশও হইতো কিনা সন্দেহ!’
লাবু একটু লাজুক ভঙ্গিতে বললো, ‘আমি আর কী খেললাম! প্রথমে তো পারছিলামই না! রুবেল ছিল বলেই একটু ভরসা পাচ্ছিলাম। আসলে রুবেলই সবচেয়ে ভালো খেলেছে। ব্যাটিং-বোলিংয়ের সাথে ওর ক্যাপ্টেন্সিও ছিল জটিল।’

‘হুম, মিলনরে দিয়া বল করানোর সাহস করছিল বইলাই ম্যাচ লাস্ট পর্যন্ত টিকে ছিল। আমরা তো আসলে কেউ-ই তেমন ভালো বোলিং করতে পারতেছিলাম না। ওই জায়গায় মিলনরে দিয়া বল করায় খুব বুদ্ধিমানের কাজ করছে রুবেল।’ সুরুজ বলে।
রুবেল লজ্জা পায়। লাবু বলে, ‘আমার বিবেচনায় রুবেল এ ম্যাচের ম্যান অব দ্য ম্যাচ।’

সুরুজ-মিন্টু-টিপু রুবেলের পিঠ চাপড়াতে থাকে। রুবেল বিরক্ত হয়ে বলে, ‘হইছে, হইছে—এখন থাম। যত যাই হোক, ম্যাচ তো আমরা জিততে পারি নাই!’

সুরুজ আগের চেয়েও জোর দিয়ে বলে, ‘লাস্টে আমরাই জিততাম।’

কেউ প্রতিবাদ করে না। সবাই-ই বিশ্বাস করে ‘লাস্টে’ তারাই জিততো।

উত্তেজনায় আবার ভাটা পড়ে। মুখ ধুতে ধুতে মিন্টু বলে, ‘এখন তো আবার স্কুল যাইতে হবে! আইচ্ছা, কোনোভাবে আইজ স্কুল না যাওয়ার ব্যবস্থা করা যায় না!’

রুবেল বলে, ‘একখান ব্যবস্থা অবশ্য করা যায়। লাবু বাড়িত যাইয়া কইবো, কাইল খেলতে যাইয়া পায়ে ব্যথা পাইছে। এখন ঠিকভাবে হাঁটতে পারতিছে না। তাইলে কাম হইতেও পারে।’

লাবুকেই ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চায় রুবেল। কারণ, এক লাবুর স্কুল যাওয়া বন্ধ মানে সবার জন্যই বন্ধ!

লাবু বলে, ‘তাতে কী হবে? সারাদিন তো তখন ঘরে বসে থাকা লাগবে!’

‘একটু বেলা হইলে বলবি ব্যথা কইমা গেছে। তারপর সবাই মিলে বাহির হইয়া যাবো।’ রুবেলের পাল্টা যুক্তি।

‘এত সহজে মনে হয় হবে না। আম্মু এত বোকা না।’

রুবেল মাথা নাড়ে। ব্যাপার সত্য, লাবুর আম্মুকে এত সহজে বোকা বানানো যাবে না।
একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে যখন সবাই ধরে নিয়েছিল, আজো স্কুল থেকে রেহাই পাওয়ার উপায় নেই, তখন সুরুজ আশা জাগিয়ে তোলে, ‘উপায় কইলাম একখান আছে!’
‘কী উপায়?’ সবার আগে শেফালি উৎসাহী হয়ে ওঠে।

‘একটু রিস্কি হইয়া যাইবো। কোনোভাবে ধরা পইড়া গেলে খবরও বড়সড়োই হইবো—’
‘উপায়টা তো আগে কইবি!’ মিন্টু অস্থির হয়ে ওঠে।

‘উপায়টা হইলো—আমরা স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেইকা বাহির হবো ঠিকই কিন্তু স্কুলে যাবো না।’

‘তারপর?’ রুবেল বলে।

‘তারপর নৌকা নিয়া নদীতে ঘুইরা বেড়াবো। নদীর ওইপারে চরে যাইয়া মজা করবো।’
সবার ভেতরে উত্তেজনা ফিরে আসে। লাবু বলে, ‘ইয়েস! এইটা করা যেতে পারে। এবং এর সাথে আমরা একটা পিকনিকও করে ফেলতে পারি।’

‘সেইটা কীভাবে?’ শেফালি বলে।

‘বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে সবাই নিজ নিজ বাড়ি থেকে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, মরিচ, তেল—এই সব চুপেচাপে ব্যাগে ভরে নিবো। একটা হাঁড়ি এবং কড়াইও নিতে হবে। তারপর নদীর চরে গিয়ে নিজেরা নিজেরা রান্না করে খাবো আর সারাটা দিন সেখানে কাটিয়ে দেবো। বাড়িতে বলে যাবো—টিফিনে একটা ক্রিকেট ম্যাচ আছে। দুপুরে খেতে আসবো না, স্কুলের আশেপাশের দোকান থেকে কিছু কিনে খেয়ে নেবো। তারপর যে সময় স্কুল ছুটি হয় সেসময় বাড়ি ফিরে আসবো।’

‘দারুণ হবে! আমি কিন্তু একটু-আধটু রান্না পারি। রান্নার দায়িত্বটা আমিই নিতে পারি।’ শেফালি বেশ উৎসাহী হয়ে বলে।

‘তাইলে তাই হোক। স্কুল থেইকা বাঁচলাম আবার পিকনিক কইরা মজাও করলাম!’ মিন্টু লাফিয়ে লাফিয়ে বলে।

‘হ্যাঁ, হ্যাঁ—তাই হোক, তাই হোক।’ টিপু আর ইলিয়াস একসাথে চেঁচিয়ে বলে।

সবাই নিজ নিজ বাড়ি চলে যায়। তারপর নিজ নিজ বাড়ির রান্নাঘরের আশেপাশে ঘুরঘুর করতে থাকে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, তেল সংগ্রহের জন্য। যে যা পারবে সংগ্রহ করে নিয়ে যাবে। তবে, খুব সাবধানে। কোনোভাবেও যেন ধরা না পড়ে। কোনো একজন বা দুইজন কিংবা কেউ-ই যদি বিশেষ কিছু নিতে না পারে, তবুও যেন কেউ ঝুঁকি নিতে গিয়ে ধরা না পড়ে। বিশেষ কিছু সংগ্রহ করা না গেলেও বিকল্প কোনো ব্যবস্থা করা যাবে।

লাবু বাড়িতে গিয়ে বড় আম্মুকে একটু ব্যস্ত রাখে। আর এই সুযোগে রুবেল বেশকিছু জিনিস সংগ্রহ করে নেয়। ব্যাগে বইপত্র মাত্র দুই-একটা নিয়ে সংগ্রহ করা জিনিস দিয়ে ভরিয়ে ফেলে। চাল-ডাল ব্যাগে করে লুকিয়ে নিয়ে যাওয়া ব্যাপার না। কিন্তু হাঁড়ি-কড়াইয়ের ক্ষেত্রে সমস্যা। ব্যাগ বেশি ফুলে গেলে ধরা পড়ে যাবার সম্ভাবনা আছে। লাবু-রুবেল তাই হাঁড়ি-কড়াইয়ের ব্যবস্থা করতে পারলো না। টিপু অবশ্য একটা হাঁড়ির ব্যবস্থা করে ফেললো। বাড়িতে সে বললো, কী একটা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা করাবে বিজ্ঞান ক্লাসে, স্যার একটা করে হাঁড়ি নিয়ে যেতে বলেছে সবাইকে। আর সাথে কিছু চাল। টিপুর মা একটু ভ্রু কুঁচকালেও বৈজ্ঞানিক বিষয় বলে আর মাথা ঘামালো না!

শেফালি চাল, ডাল কিংবা এইরকম কিছু নিতে পারলো না। তবে, ছেচকি, চামচ আর খানিকটা লবণ-হলুদ নিতে পারলো। তারপর স্কুলে আসার জন্য মায়ের কাছে বিদায় নিয়ে বাড়ির বাইরে এসে একটু আড়াল থেকে বাড়ির দিকে লক্ষ্য রাখলো। মা যখন গরু-ছাগলকে খেতে দেয়ার জন্য গোয়ালঘরে গেলো তখন দৌড়ে গিয়ে একটা কড়াই নিয়ে চলে আসলো।

ইলিয়াস কিছুই নিতে পারলো না। সুরুজ-মিন্টু কিছু কিছু করে চাল-ডাল নিতে পেরেছে।
সবাই আমবাগানে এসে জড়ো হয়। কে কী আনতে পেরেছে তা নিয়ে এইখানে কেউ ঘাঁটাঘাঁটি করে না। একেবারে চরে গিয়ে দেখা যাবে। যদি কিছু ঘাটতি থেকে থাকে সেটা তখন ব্যবস্থা করা যাবে।

নদীটা গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে। ছোট একটা নদী। রবীন্দ্রনাথের ‘আমাদের ছোট নদী’র মতো গরু-গাড়ি পার না হলেও গ্রীষ্মকালে বেশি পানি থাকে না। ওপারে বিশাল চর পড়ে। সে চরে নানারকম ফসল আবাদ হয়। বর্ষার সময়ও এই চর পুরোপুরি ডোবে না।

বাড়ি থেকে বেশ খানিকটা দূরে নদীটা। এ কারণে সবসময় নদীতে কিংবা নদীর আশেপাশে ঘুরতে যাওয়া হয় না লাবুদের। বিকেলের দিকে হয়তো এক-দুইদিন যায়। লাবুর খুব ভালো লাগে নদীর ধারে বসে সন্ধ্যা নামা দেখতে। নদীটা কাছাকাছি হলে প্রতিদিনই তা উপভোগ করা যেতো।
নদীর ঘাটে লাবুদের নিজস্ব একটা নৌকা বাঁধা থাকে। নদীর ওপারে ওদের কিছু জমি আছে। সেসব জমি দেখাশোনা করার জন্য বড় আব্বু নৌকাটা কিনে রেখেছে। ছোটখাটো একটা নৌকা। রুবেল-সুরুজ-মিন্টু নৌকা চালাতে পারে। লাবুও মোটামুটি পারে। নদীতে এলেই ওরা নৌকায় ঘুরে বেড়ায়। অবশ্য হারুন ভাই সাথে থাকে সবসময়। আজ বড় কেউ থাকবে না। স্বাধীনভাবে ওরা ঘুরে বেড়াতে পারবে। বাড়ি থেকে কৌশলে খবর নিয়ে এসেছে—আজ বড় আব্বু কিংবা হারুন ভাই নদীর ঘাটে আসবে না, নৌকা নিয়ে কোথাও যাবে না।

নদীর ঘাটে যাওয়ার সময়টা খুবই বিপজ্জনক। স্কুল আর নদী পুরো উল্টো দিকে। পথে পরিচিত কেউ দেখে ফেললে আর রক্ষা নেই। নদীর ঘাটেও যে পরিচিত কেউ থাকবে না—তাও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। স্কুল ড্রেস পরে স্কুলের উল্টোদিকে যাওয়ার বিষয়ে তাদের কাছে শক্ত কোনো অজুহাত আপাতত মজুদ নেই।

টিপুকে নিয়ে যন্ত্রণার শেষ নেই। সেই এক ফড়িং বিষয়ক ভূত তার মাথায় চেপে বসে আছে তো আছেই। ফড়িং দেখলেই সে হুঁশ হারিয়ে ফেলছে। যেখানে সবাই যত দ্রুত সম্ভব নদীর ঘাটে গিয়ে নৌকা ভাসিয়ে নাগালের বাইরে চলে যাবার জন্য এদিক-ওদিক না তাকিয়ে পা চালাচ্ছে, সেখানে টিপু ফড়িংয়ের পিছে ছুটতে গিয়ে বারবার পিছিয়ে পড়ছে আর অন্যদের গতি রোধ করে দিচ্ছে।
সুরুজ বিরক্ত হয়ে কিছুটা হুমকি দিয়ে বললো, ‘ওই টিপ্প্যা, তুই আমাগো সাথে যাবি নাকি যাবি না! না যাইতে চাইলে থাক। সারাদিন ফড়িংয়ের পিছে ছুইটা বেড়া। তোর লাইগা আমরা বইসা বইসা আঙ্গুল চুষতে পারবো না।’
টিপু দৌড়ে ছুটে আসে। কোনো তর্কে যায় না। অপরাধীর মতো ভাব করে হাঁটতে থাকে।
খানিক পরেই অবশ্য সুরুজের হুমকিকে কাঁচকলা দেখিয়ে আবার ফড়িংয়ের পিছে ছুটতে থাকে টিপু। এবার আর কেউ হুমকি দেয় না, তার জন্য কেউ থেমেও যায় না। নিজেদের মতো করে হাঁটতে থাকে। নদীর ঘাটে গিয়ে নৌকা ছেড়ে দেয়ার আগে যদি সে আসে তো আসলো, নয়তো তাকে ছেড়েই সবাই রওনা দেবে। একজনের জন্য সবার বিপদ ডেকে আনার কোনো মানে নেই। টিপুর যখন খেয়াল হয় যে সঙ্গীদের চেয়ে সে অনেক পেছনে পড়ে গেছে তখন আবার দৌড় দিয়ে গিয়ে দূরত্ব ঘুচিয়ে ফেলে।
পথে বেশকিছু মানুষের সাথে দেখা হলো। কিন্তু তাদের মধ্যে পরিচিত কেউ ছিল না। অপরিচিত হলেও একবার অন্তত ভ্রু কুঁচকে তাদের দিকে তাকিয়েছে। এক লোক তো সন্দেহ প্রকাশ করে বলেই বসে, ‘কী গো পুলাপাইন, ইসকুল বাদ দিয়া কই যাও!’
‘ইসকুলেই যাই চাচা। শুধু একটু ঘুইরা যাইতেছি এই আর কি!’

শেফালির কথা লোকটার কাছে যে মোটেও বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় নি সেটা তার মুখ দেখেই স্পষ্ট বোঝা যায়। তবুও লোকটা কথা বাড়ায় না।

(চলবে)

পূর্ববর্তী পর্বসমূহ:

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ১)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০২)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০৩)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০৪)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০৫)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০৬)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০৭)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০৮)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০৯)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ১০)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ১১)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ১২)

লেখক পরিচিতি
মুহসীন মোসাদ্দেক
জন্ম ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৮; রাজশাহী, বাংলাদেশ। ২০১০ সালে প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘ঘন অন্ধকারের খোঁজে’ এবং ২০১৪ সালে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ ‘ঘি দেয়া গরম ভাত আর চিতল মাছের পেটি’। মাঝে ২০১৩ সালে কিশোর গল্পগ্রন্থ ‘মগডাল বাহাদুর’ প্রকাশিত হয়। প্রাণিবিদ্যায় স্নাতকোত্তর সম্পন্নের পর এমবিএ করেন ব্যবস্থাপনা শিক্ষায়। বর্তমানে স্বনামধন্য একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মানবসম্পদ বিভাগে কাজ করছেন। বই প্রকাশে দীর্ঘ বিরতি চললেও লিখে যাচ্ছেন নিয়মিত। শিশু-কিশোরদের জন্য লিখতে ভালোবাসেন, বিশেষ করে দুরন্তপনার গল্পগুলো। লেখকের কৈশোর জীবন তুমুল দুরন্তপনায় কেটেছে এমনটা নয়, তবু বেশ রঙিন এক কৈশোর কাটিয়েছেন মফস্বল শহরে। রঙিন সে জীবনে ফিরে যাবার সুযোগ না থাকায় খুব আফসোস হয়। এ আফসোস ঘোচাতেই লেখার মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে ফিরিয়ে নিয়ে যান কৈশোরে আর দুরন্তপনায় মেতে ওঠেন ইচ্ছেমতো। প্রত্যাশা কেবল এতটুকুই, কিছু উপযুক্ত পাঠক সঙ্গী হোক তার লেখার এ দুরন্ত জীবনে।

3 Comments

Leave a Reply

error: Content is protected !!
WordPress Workshop Belmont – Cocktail Bar WordPress Theme Bemeina – Plastic Surgery & Beauty Clinic WordPress Theme Bemins – Fashion & Jewelry, Furniture Store WordPress Theme Benco - Responsive Furniture WooCommerce WordPress Theme beNews – Magazine WordPress Theme Bengkel – Modern Auto Car Repair Business Theme Benqu – Elementor NewsPaper & Magazine WordPress Theme Benton – Digital Agency WordPress Theme BeoNews Pro – React Native mobile app for WordPress Berich – Consulting Corporate WordPress Theme