Sunday, July 5, 2026
গল্পফিচার নিউজশিল্প-সাহিত্য

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ২২)

মুহসীন মোসাদ্দেক
(পূর্ব প্রকাশের পর)

সুরুজ বলে, ‘সোজাসুজি গেলে বুইঝা ফেলবে। চল, ওইদিক দিয়া ঘুইরা যাই। তারপর আড়াল থেকে ওদের সাইজ করি।’
ডান দিক দিয়ে ঝোপঝাড়ে ঢাকা একটা পথ আছে। আসলে নিয়মিত কোনো পথ না, প্রয়োজনের তাগিদে পথ করে নেয়া আর কি! সুরুজ এই পথটাই দেখায়। পথটা দিয়ে খুব দ্রুতই ওরা বসির ভাইদের কাছাকাছি এসে গেলো। ঝোপঝাড়ে বেশ খসখস শব্দ অবশ্য হলো এবং বোঝা গেলো বসির ভাইয়েরা তা খেয়ালও করলো। কিন্তু, তারপরও লাবুরা এগিয়ে গেলো। বসির ভাইয়ের কাছে একটা রিভলবার আছে তো কী, লাবুর কাছে একটা রাইফেল আছে না! বাড়তি যেটা আছে সেটা হচ্ছে সাহস আর বুদ্ধি। ভয়ের তবে কিছু থাকে কি!
বসিরদের কাছাকাছি এসে ঝোপের ভেতরে শুয়ে পড়ে সবাই। তারপর আড়াল থেকে লাবু গর্জে ওঠে, ‘ওই বসির, দাঁড়া!’
রাতের আঁধারে দেখা না গেলেও স্পষ্ট বোঝা যায় বসির চমকে ওঠে এবং থমকে দাঁড়ায়। কিবরিয়া আর মাসুমও থমকে যায়।
বসির কাঁপা কাঁপা গলায় বলে, ‘কে! কে!’ রিভলবারটা তাক করে ধরে ঝোপের দিকে।
লাবু আবার গর্জন করে ওঠে, ‘রিভলবারটা ফেলে দে!’
বসির রিভলবার ফেলে না, ইতিউতি তাকাতে থাকে। স্পষ্ট বুঝতে পারে ঝোপের ভেতর থেকে কেউ কথা বলছে। কিন্তু কাউকে দেখা যায় না। কারো অস্তিত্বও বোঝা যায় না!
লাবু ধমকে ওঠে, ‘কথা কানে গেলো না! রিভলবার ফেলে দে, নয়তো তোর মাথার খুলি উড়িয়ে দেবো!’
বসির হঠাৎ চমকে ওঠে। ভাষাটা চেনা চেনা লাগে। কিবরিয়া কাঁপা কাঁপা গলায় বলে, ‘বসির ভাই, ওই ত্যান্দর পোলাগুলা মনে হয়!’
বসির ভাইয়েরও তাই মনে হয়। কিন্তু হিসাব মেলাতে পারে না। কীভাবে তারা ছাড়া পেলো! সেটা কেমন করে সম্ভব!
ভাবার বেশি সময় পায় না বসির। আবার লাবুর ধমক, ‘রিভলবার তুই ফেলবি না কি গুলি করবো!’
বসির এবারো রিভলবার ফেললো না।
‘তোর কী মনে হয় আমি এমনি এমনি ভয় দেখাচ্ছি! আমার হাতে বন্দুক নেই, আমি গুলি করতে পারবো না! তাহলে এই দেখ—’ বলেই লাবু আকাশের দিকে লক্ষ্য করে একটা গুলি ছুড়লো! এর আগে কখনো সে গুলি ছোড়ে নি! কখনো ছুড়তে হবে ভাবেও নি! জীবনে প্রথমবার গুলি ছুড়তে গিয়ে হাত তো কাঁপলোই, রাইফেলটাও কেঁপে উঠলো। গুলিটা করেই অবশ্য অন্যরকম একটা জোর এসে গেলো লাবুর ভেতরে!
সত্যি সত্যি গুলি হতে পারে বসিরেরা এটা ভাবে নি! গুলির শব্দে আঁতকে উঠলো তিনজনই।
লাবু ধমক বজায় রাখলো, ‘এখনো রিভলবার ফেলছিস না যে! মাথার খুলি হারাতে চাস! তিন গুনবো, এর মধ্যে যদি রিভলবার না ফেলিস—’
লাবু কথা শেষ করে না। গুনতে থাকে, ‘এক—’
বিচলিত দেখা যায় বসিরকে।
‘দুই—’
কিবরিয়া বলে, ‘ভাই ফালায় দেন, ফালায় দেন, ত্যান্দর পোলাগুলারে বিশ্বাস নাই। সত্যিই গুলি কইরা দিতে পারে!’
বসির ভাই ব্যস্ত হয়ে বলে ওঠে, ‘দিতেছি, রিভলবার ফেইলা দিতেছি! গুলি কইরো না! গুলি কইরো না!’
‘রিভলবারটা ঝোপের দিকে ছুড়ে মার।’
‘এই মারলাম, ছুড়ে মারলাম।’ বসির রিভলবারটা ঝোপের দিকে ছুড়ে মারলো।
‘দুই হাত মাথার পেছনে কর। তারপর হাঁটু ভেঙে বসে পড়।’
ওরা তাই করলো।
‘একদম নড়বি না। উল্টোপাল্টা কিছু করতে চেষ্টা করবি না। করলেই কিন্তু—’
লাবু কথা শেষ করে না। তার বিশেষ কোনো প্রয়োজনও নেই। বসির, কিবরিয়া আর মাসুম সেইভাবেই থাকে। ভালোভাবে ওদের পর্যবেক্ষণ করে রাইফেল উঁচিয়ে ঝোপের আড়াল থেকে বেরিয়ে আসে লাবু। তার সঙ্গে বাকিরাও।
একটু এগিয়ে এসে লাবু আবার হুংকার ছোড়ে, ‘খবরদার! একটুও নড়বি না!’ লাবু রাইফেল তাক করে রাখে বসিরের দিকে।
ওরা কোনো শব্দ করে না, একটুও নড়ে না।
লাবু রাইফেল তাক করে থাকে আর বাকিরা তিনজনকে বেঁধে ফেলে। হাত-পা বেঁধে মাটিতে ফেলে রাখে। মূর্তির ট্রাঙ্কটা ঝোপের ভেতরে লুকিয়ে ফেলে। পুলিশ এলে বের করে দিবে।
ওদের তিনজনকে ফেলে রেখে লাবুরা রওনা দেয় নদীর দিকে। বসিরদের ওস্তাদ বিদেশিকে নিয়ে অপেক্ষা করতে করতে মনে হয় বিচলিত হয়ে পড়েছে। তাদের কাছেও অস্ত্র থাকতে পারে। সেখানে দুইজনের অধিক লোকও থাকতে পারে। লাবুরা আপাতত এসব নিয়ে ভাবে না। এবং এবারো তারা একটু ঘুর পথে যায়। সরাসরি নদীর ঘাটে গেলে হয়তো নিজেরাই ধরা পড়ে যাবে!
নদীর যে ঘাটে লাবুদের নৌকা বাঁধা থাকে সেই ঘাটেই ওস্তাদ আর বিদেশি একটা নৌকায় বসে আছে। লাবুদের নৌকা তার পাশেই বাঁধা। রাত এখনো গভীর হলেও নদীর ঘাটে কেমন যেন আলো আলো ভাব। বিদেশিকে বোঝা যায়। বিদেশির পাশে কোটপরা, গলায় মাফলার জড়ানো যে লোকটা সেটাই তবে ওস্তাদ। এই গরমে গলায় মাফলার জড়ানোর উদ্দেশ্য কী লাবুর মাথায় ঢোকে না। অবশ্য এটা সুরুজকে জিজ্ঞেস করে জানা যেতে পারে। তার মাফলারটা এখন কুদ্দুসের মুখে শোভা পাচ্ছে!
লাবুরা ঘাট থেকে ডান দিকে বেশ খানিকটা দূর থেকে দুজনকে পর্যবেক্ষণ করে। তাদের বিচলিত মনে হয়। লাবুরা একটু পেছনে সরে গিয়ে একেবারে ঘাট বরাবর এসে শুয়ে পড়ে। লাবু রাইফেল তাক করে থাকে ওস্তাদের দিকে। তারপর বলে ওঠে, ‘ওস্তাদ, হাত পেছনে করো। নড়াচড়া করার চেষ্টা করো না।’
ওস্তাদ চমকে ওঠে। চমকে ওঠে বিদেশিও। পাড়ের ওপর বেশ কয়েকটা মাথা আর একটা নল দেখতে পায় ওরা। ওস্তাদ হাত পেছনে করার প্রয়োজন মনে করে না! উল্টো উঠে দাঁড়িয়ে পকেট থেকে রিভলবার বের করে। তারপর একেবারে লাবুর দিকে তাক করে। লাবু আবার বলে ওঠে, ‘রিভলবার ফেলে দাও ওস্তাদ। একেবারে নদীতে ছুড়ে মারো। তারপর হাত পেছনে করে উঠে আসো। নাহলে কিন্তু—’
লাবু কথা শেষ করতে পারে না, ওস্তাদ মনে হয় কথার চেয়ে কাজে বেশি বিশ্বাসী, কোনো জবাব না দিয়ে সরাসরি গুলি করে বসে! লাবু ভ্যাবাচেকা খেয়ে যায়, এর জন্য সে প্রস্তুত ছিল না! এবার কী তাকে সত্যি সত্যি যুদ্ধ যুদ্ধ খেলতে হবে!
লাবুর মনে হয় গুলিটা তার কানের পাশ দিয়ে গেছে। তার কানের কাছে ‘হিস’ করে একটা শব্দ হয়েছে। ওটা মনে হয় গুলির বাতাসের শব্দ! বাকিরাও ভয় পেয়ে গেছে। সবাই চুপ এবং একটু পেছনে সরে যায়।
লাবু নিজেকে সামলে নেয়, তারপর শান্ত গলায় বলে, ‘ওস্তাদ, গুলি করে লাভ নাই ওস্তাদ। আমি কিন্তু তোমার নাগালের মধ্যে নেই। উল্টো তুমিই কিন্তু আমার নাগালের মধ্যে আছো! আমি গুলি করলে কিন্তু তোমার খুলি উড়ে যাবে!’ একই ডায়লগ দিতে দিতে লাবুর ক্লান্তি এসে যায়।
এবার ওস্তাদ লাইনে আসে। রিভলবার তাক করে রেখেই বলে, ‘কে তোমরা? কী চাও?’
‘আপাতত রিভলবারটা নদীতে ফেলে দাও। তারপর হাত মাথার পেছনে করে ধীরে ধীরে উঠে আসো। কোনো চালাকি করার চেষ্টা করবে না।’
ওস্তাদ রিভলবার নামায় না। কী যেন ভাবতে থাকে। লাবু বলে, ‘তোমার সব সাগরেদ কুপোকাত। ওদের ভরসা করে কোনো লাভ নাই। রিভলবার ফেলে দিয়ে ভদ্রলোকের মতো উঠে আসো।’
এবারো ওস্তাদের ভেতরে কোনো পরিবর্তন আসে না। লাবুকে তাই জীবনের দ্বিতীয় গুলিটা করতেই হয়! গুলিটা গিয়ে লাগে নৌকার মাথায় একটু নিচের দিকে। দুলে ওঠে নৌকা। বিদেশি তাল সামলাতে পারে না। পানিতে পড়ে যায়। ওস্তাদ কোনোরকমে সামলে নেয়। বেশ বিরক্ত হয়ে বলে, ‘এসব তোমরা কেন করছো? কী লাভ তোমাদের?’
‘এখন এত কিছু বলার সময় নেই। যেটা বলেছি সেটা করো। তিন গুনবো—এর মধ্যে যদি রিভলবার ফেলে হাত পেছনে করে উঠে না আসো, তবে কী করবো সেটা নিশ্চয় বুঝতেই পারছো!’
লাবু ঝটপট পকেট থেকে আরো দুইটা গুলি বের করে রাইফেলে ভরে নেয়। ওস্তাদ সাগরেদগুলোর মতো গাধা টাইপের নয়, ওস্তাদের ওপর কোনো ভরসা নেই! পকেটে আরো দু-একটা পিস্তল আছে কিনা কে জানে! আবার পিস্তল না ফেলে পাল্টা গুলি ছুড়বে কিনা, তা-ও কে জানে!
ওস্তাদ এখনো দাঁড়িয়ে আছে। এবার সুরুজ গোনে, ‘এক—’
‘দেখো, তোমাদের কী চাই বলো, আমি দিয়ে দেবো—’
ওস্তাদকে কথা শেষ করতে দেয় না লাবু, ‘আমি চাইছি রিভলবারটা ফেলে দাও!’
সবাই হেসে ওঠে। সুরুজ গোনে, ‘দুই—’
ওস্তাদ বিচলিত হয়ে ওঠে, ‘দেখো, দেখো, নৌকায় অনেকগুলো টাকা আছে। তোমরা সেগুলো নিয়ে যাও। আর আমাদের এখন যেতে দাও।’
‘তোমার কি মনে হয় ওস্তাদ, আমরা টাকার জন্য এসব করছি! তোমার টাকা তোমার নৌকাতেই থাক। কথা বাড়িয়ে লাভ নাই। যা বলেছি তাই করো—’
সুরুজ বলে, ‘আর কিন্তু এক গোনা বাকি!’
ওস্তাদ আরো বিরক্ত হয়, ‘কী মুশিবত! কাদের পাল্লায় পড়লাম!’
‘এখনো সময় আছে ওস্তাদ, রিভলবার ফেলে দাও!’
ওস্তাদ বিরক্তি বজায় রেখেই বলে, ‘যাও দিলাম। এই যে ফেলে দিলাম। হয়েছে?’ ওস্তাদ নদীতে রিভলবার ছুড়ে দেয়। সেটা টুপ করে পানিতে ডুবে যায়।
ওস্তাদের ভরসা নাই। লাবু সিদ্ধান্ত বদলায়, ‘এবার কোমড় পানিতে নেমে পড়ো। তারপর হাত মাথার পেছনে করে দাঁড়িয়ে থাকো।’
ওস্তাদ প্রতিবাদ করে, ‘তুমি তো উপরে উঠে আসতে বলেছিলে। এখন পানিতে নামতে বলছো যে!’
‘আগে কী বলেছিলাম সেটা ভুলে যাও। এখন যেটা বলছি সেটা করো।’
‘ইটস নট ফেয়ার!’
‘কথা বাড়িয়ো না। নেমে পড়ো।’
সরুজ বলে, ‘নাম ব্যাটা! নাইলে কিন্তু দিলাম!’ বলেই সে উঠে দাঁড়িয়ে একটা আধলা ছুড়ে মারে। সেটা পানিতে পড়ে ওস্তাদের গায়ে পানি ছিটিয়ে দেয়!
শেফালি আহ্লাদ করে বলে, ‘আরে! নামো, নামো। নেমে পড়ো। এমনিতেই গরমের দিন। এর মধ্যে বোধহয় ঘেমে গেছো! তার ওপর আবার কোট-মাফলার পরে আছো। নাও, নেমে পড়ো। ভালোই লাগবে তোমার।’
সুরুজ আবার একটা আধলা হাতে নিয়ে বলে, ‘নামলি ব্যাটা! নাইলে কিন্তু—’
আর কিছু বলা লাগে না। কোমড় পানিতে নেমে যায় ওস্তাদ। তারপর হাত পেছনে করে দাঁড়ায়। বিদেশি সেই যে পানিতে পড়েছিল আর ওঠে নি। ওস্তাদের দেখাদেখি সে-ও কোমড় পানিতে নেমে হাত পেছনে করে দাঁড়ায়।
ওস্তাদ জানতে চায়, ‘এখন কী করবে তোমরা?’
সুরুজ বলে, ‘আপাতত কিছু করার নাই। তোমার শ্বশুরবাড়ি থেইকা লোক আইসা গেলে তাদের হাতে তোমাকে বুঝাইয়া দিয়া চইলা যাবো। তারপর তারা তোমাকে কী করবো সেইটা তাদের ব্যাপার!’
‘মানে—মানে—’ ওস্তাদ আমতা আমতা করতে থাকে, ‘তোমরা পুলিশেও খবর দিয়েছো!’
‘তুমি কী মনে করেছো পুলিশে খবর না দিয়ে তোমার সাথে এখন জলকেলি করবো! তোমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন এই এলো বলে!’
লাবু রাইফেল তাক করে পাড়ে বসে থাকে। ওস্তাদ আর কিছু বলে না, কিছু করারও থাকে না! কোমড় পানিতে দাঁড়িয়ে থেকে এদিক-ওদিক তাকাতে থাকে!
বেশিক্ষণ আর অপেক্ষা করতে হয় না। একগাদা পুলিশ এসে যায়। তারপর ধরে নিয়ে যায় সবাইকে। ট্রাঙ্কের মূর্তিগুলোও নিয়ে যায় পুলিশ। পাহারা বসায় ভূতের বাড়িতে।
পুলিশের সাথে বড় আব্বু আর লাবুর আম্মুও এসেছে। যাওয়ার সময় পুলিশ অফিসার বড় আব্বুকে বলে, ‘কাল সকালে বাচ্চাদের নিয়ে একবার থানায় আসতে হবে।’
বড় আব্বু বলে, ‘বাচ্চাদের আবার থানা-পুলিশের ঝামেলায় কেন!’
পুলিশ অফিসার আশ্বস্ত করে, ‘না, না, কোনো ঝামেলা হবে না। জাস্ট ফরমালিটিজ।’

লাবুদের কেউ কিছু বলে না। যে যার বাসায় চলে যায়। আম্মু লাবুর সাথে কোনো কথা বলে না। কেমন যেন গুমোট ভাব করে থাকে! লাবুও আর ঘাঁটায় না! বাসায় এসে শুয়ে পড়ে। তারপর রুবেলকে পরের কাহিনিটুকু শোনায়। রুবেল খুব আফসোস করে, ইস, সে-ও যদি থাকতে পারতো!

(চলবে)

পূর্ববর্তী পর্বসমূহ:

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ১)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০২)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০৩)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০৪)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০৫)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০৬)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০৭)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০৮)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ০৯)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ১০)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ১১)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ১২)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ১৩)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ১৪)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ১৫)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ১৬)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ১৭)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ১৮)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ১৯)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ২০)

ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস: লাবুদের দস্যিপনা (পর্ব ২১)

লেখক পরিচিতি
মুহসীন মোসাদ্দেক
জন্ম ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৮; রাজশাহী, বাংলাদেশ। ২০১০ সালে প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘ঘন অন্ধকারের খোঁজে’ এবং ২০১৪ সালে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ ‘ঘি দেয়া গরম ভাত আর চিতল মাছের পেটি’। মাঝে ২০১৩ সালে কিশোর গল্পগ্রন্থ ‘মগডাল বাহাদুর’ প্রকাশিত হয়। প্রাণিবিদ্যায় স্নাতকোত্তর সম্পন্নের পর এমবিএ করেন ব্যবস্থাপনা শিক্ষায়। বর্তমানে স্বনামধন্য একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মানবসম্পদ বিভাগে কাজ করছেন। বই প্রকাশে দীর্ঘ বিরতি চললেও লিখে যাচ্ছেন নিয়মিত। শিশু-কিশোরদের জন্য লিখতে ভালোবাসেন, বিশেষ করে দুরন্তপনার গল্পগুলো। লেখকের কৈশোর জীবন তুমুল দুরন্তপনায় কেটেছে এমনটা নয়, তবু বেশ রঙিন এক কৈশোর কাটিয়েছেন মফস্বল শহরে। রঙিন সে জীবনে ফিরে যাবার সুযোগ না থাকায় খুব আফসোস হয়। এ আফসোস ঘোচাতেই লেখার মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে ফিরিয়ে নিয়ে যান কৈশোরে আর দুরন্তপনায় মেতে ওঠেন ইচ্ছেমতো। প্রত্যাশা কেবল এতটুকুই, কিছু উপযুক্ত পাঠক সঙ্গী হোক তার লেখার এ দুরন্ত জীবনে।

Leave a Reply

error: Content is protected !!
WordPress Workshop LearnPress 2Checkout add-on LearnPress – Announcements Addon LearnPress Assignments Add-on LearnPress – Authorize.Net Payment LearnPress – Certificates LearnPress – Co-Instructors LearnPress – Collections LearnPress – Content Drip LearnPress Frontend Editor LearnPress – Gradebook